Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

ওমরাহ শেষে সৌদি আরবের দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩:৩৮

ওমরাহ শেষে সৌদি আরবের দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ

সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করতে গিয়ে পাশাপাশি দেশটির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ এখন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি পর্যটনকে উৎসাহিত করতে সৌদি সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে ওমরাহ ভিসা নিয়ে যাত্রীরা শুধু মক্কা ও মদিনায় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই থেমে থাকছেন না, বরং সৌদি আরবের ঐতিহাসিক ও আধুনিক পর্যটনকেন্দ্রও ঘুরে দেখছেন।

ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরবে গেলে মক্কা ও মদিনার পাশাপাশি জেদ্দা কর্নিশ, উহুদ পাহাড়, কুবা মসজিদ, কিসওয়া কারখানা, মদিনার ঐতিহাসিক বাজার এবং রিয়াদের আধুনিক স্থাপনা ভ্রমণ করা যায়। এছাড়া দেশটির নতুন পর্যটন আকর্ষণ যেমন আল-উলা, রেড সি প্রজেক্ট এবং দিরিয়াহ ঐতিহাসিক শহরও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সৌদি সরকার ওমরাহ ভিসার পাশাপাশি পর্যটন ভিসা ব্যবস্থাও সহজ করেছে। নুসুক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুমোদিত সার্ভিস প্যাকেজ বুকিং করে ওমরাহ পারমিট নেওয়া যায়। একই ভিসায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সুযোগও থাকে। ভিসার মেয়াদ সাধারণত এক বছর, তবে প্রতিবার অবস্থান সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত সীমিত।

বাংলাদেশের বিভিন্ন হজ ও উমরাহ এজেন্সি এখন ওমরাহর সঙ্গে পর্যটন প্যাকেজ যুক্ত করছে। এসব প্যাকেজে মক্কা ও মদিনার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি জেদ্দা, রিয়াদ বা মদিনার ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকে। অনেক এজেন্সি বিশেষ গাইড, পরিবহন ও আবাসনের সুবিধা দিয়ে থাকে, যাতে ভ্রমণকারীরা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা একসঙ্গে উপভোগ করতে পারেন।

সৌদি সরকার মনে করছে, ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি সাধারণ পর্যটন বাড়লে দেশের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে। তাই ওমরাহ ভিসায় পর্যটনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এতে প্রবাসী মুসল্লিদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটকদেরও আকর্ষণ বাড়ছে।

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মানুষ ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে যান। নতুন ভিসা কাঠামো ও এজেন্সির প্যাকেজ সুবিধা তাদের জন্য ভ্রমণকে আরো সহজ করেছে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি সৌদি আরবের ঐতিহাসিক ও আধুনিক স্থান ভ্রমণ এখন অনেকের কাছে বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

Logo