বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আবারো খুলে গেছে মর্যাদাপূর্ণ চিভনিং স্কলারশিপ। যুক্তরাজ্যে এক বছরের পূর্ণ অর্থায়নে মাস্টার্স পড়ার সুযোগ দিচ্ছে এই কর্মসূচি। নেতৃত্বগুণ, প্রভাব বিস্তার এবং স্থানীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।
আবেদন করার আগে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই যোগ্যতা যাচাই করতে হবে। আবেদনকারীকে চিভনিংযোগ্য দেশ ও ওডিএযোগ্য দেশের নাগরিক হতে হবে। স্কলারশিপ শেষে অন্তত দুই বছর বাংলাদেশে ফিরে আসতে হবে। আবেদনকারীর কমপক্ষে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যা ২ হাজার ৮০০ ঘণ্টার সমান।
আবেদনকারীর স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে, যা যুক্তরাজ্যে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য যোগ্য। স্নাতক ডিগ্রি অবশ্যই আবেদন শেষ হওয়ার অন্তত দুই বছর আগে সম্পন্ন হতে হবে। আবেদনকারীকে যুক্তরাজ্যের তিনটি ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কোর্সে আবেদন করতে হবে এবং অন্তত একটি কোর্সে নিঃশর্ত অফার পেতে হবে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে চিভনিং ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে। প্রথমে যোগ্যতা যাচাই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এরপর আবেদনপত্র পূরণ ও জমা দিতে হবে। পাশাপাশি তিনটি উপযুক্ত মাস্টার্স কোর্সে আবেদন করতে হবে।
যদি সাক্ষাৎকারের জন্য শর্টলিস্ট করা হয়, তবে শিক্ষার্থীদের ছবি, স্নাতক সনদ ও রেফারেন্স লেটারসহ প্রয়োজনীয় নথি সাক্ষাৎকারের অন্তত সাত কার্যদিবস আগে আপলোড করতে হবে।
সময়সূচি:
- ৪ আগস্ট ২০২৬: আবেদন শুরু।
- ৬ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫টা: আবেদন শেষ।
- অক্টোবর ২০২৬: যোগ্যতা যাচাই।
- অক্টোবর ২০২৬ -জানুয়ারি ২০২৭: স্বাধীন কমিটি আবেদন মূল্যায়ন করবে।
- ফেব্রুয়ারি ২০২৭: সাক্ষাৎকারের জন্য শর্টলিস্ট ঘোষণা।
- মার্চ-এপ্রিল ২০২৭: সাক্ষাৎকার ব্রিটিশ দূতাবাস ও হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত হবে।
- জুন ২০২৭: ফলাফল ঘোষণা।
- ৮ জুলাই ২০২৭: নিঃশর্ত অফার জমা দিতে হবে।
- সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০২৭: যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা শুরু।
চিভনিং স্কলারশিপ শুধু পড়াশোনার সুযোগ নয়, বরং নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার একটি প্ল্যাটফর্ম। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বিশ্বমানের শিক্ষা গ্রহণ ও দেশে ফিরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার এক অনন্য সুযোগ।
logo-1-1740906910.png)