Logo
×

Follow Us

অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার নিয়মে ঘটছে যেসব পরিবর্তন

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬

অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার নিয়মে ঘটছে যেসব পরিবর্তন

দিন দিন কঠিন হচ্ছে বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিসা। তবে কী অস্ট্রেলিয়ার ভিসার দুয়ার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের স্টুডেন্টদের জন্য? 

অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসার নিয়মে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ঘটছে নানা পরিবর্তন। স্টুডেন্ট ভিসার ফি গত জুলাইয়ে ২ হাজার ডলার থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে আড়াই হাজার। বিপরীতে ব্রিটেনে ৯৩৫ ডলার, আমেরিকায় ৭৭৫ ডলার আর কানাডায় মাত্র ২৪০ ডলার। ফলে বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা আবেদন ফির দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল গন্তব্যে পরিণত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

স্টাডিনেটের কান্ট্রি ডিরেক্টর নাহিদ ইসলাম মাইগ্রেশন কনসার্নকে জানান, অস্ট্রেলিয়ার ভিসা আবেদনের চার্জ সবচেয়ে বেশি। তাই একজনের আবেদন বাতিল হয়ে গেলে এই টাকাটা কিন্তু রিফান্ড হয় না। ইউনিভার্সিটি আবেদনের আগে এক সেমিস্টারের টাকা জমা দিতে হয়, সেটা ইউনিভার্সিটি ফেরত দিয়ে দেয় সময় মতো। ফলে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করার আগে শিক্ষার্থী ও তার পরিবারকে মানসিক ও আর্থিক প্রস্তুতি নিতে হয়।

ভিসার খরচের পাশাপাশি এ বছরের শুরুতেই বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার আরো কিছু দেশকে অ্যাসেসমেন্ট লেভেল ওয়ান থেকে লেভেল থ্রিতে নামিয়ে এনেছে অস্ট্রেলিয়া। যার ফলে আগে যেমন সহজেই ভিসা পেতেন স্টুডেন্ট, এখন সেই সংখ্যাটি অনেক নেমে এসেছে। ফলে সহজে ভিসা পাওয়া যাচ্ছে না। নাহিদ ইসলাম মনে করেন, এখন যেহেতু বাংলাদেশ রিস্ক লেভেল ক্যাটাগরিতে আছে, ফলে আবেদনের যাচাই-বাছাই বেশি হচ্ছে। 

অন্যদিকে, নিউরন এডুকেয়ারের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার জয়ন্ত বড়ুয়ার মতে, অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন এখন বেশি এভিডেন্স বেইজড হয়ে গেছে। আগে যেমন এভিডেন্স লেভেল ওয়ান ছিল, তখন আবেদন একটু ইজি ছিল। এখন লেভেল থ্রিতে নামানোর ফলে এখন আবেদন এভিডেন্স বেইজড হয়ে গেছে।  

তাই এখন বাংলাদেশের শিক্ষার্থী বা তাদের মা-বাবার ফিন্যান্সিয়াল ক্যাপাবিলিটিস, একাডেমিক স্কোর ও ইংলিশ প্রফেশিয়েন্সির এসবের ওপর আরো বেশি জোর দিচ্ছে।

২০২৬ ও ২০২৭ সালে বছরে ২ লাখ ৯৫ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীকে ভিসা ও ভর্তির সুযোগের লক্ষ্যমাত্রা স্থির রাখলেও অস্ট্রেলিয়া ভর্তির ক্ষেত্রে সিটি ও রিজিওনালের যেমন প্রাইয়োরিটি ঠিক করছে, তেমনি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে ভর্তি হতে চাইছে তার ওপর ভিসা পাওয়া প্রভাবিত করছে। আর শুধু পিআর লিস্টে থাকা কোর্সে পড়াশোনা করতে চাওয়াদের ঝুঁকি বাড়ছে।

ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে যে কোনো কলেজে ভর্তি হয়ে অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পাওয়ার কৌশলটি আগের তুলনায় হয়ে উঠেছে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

Logo