Logo
×

Follow Us

বিদেশে পড়াশোনা

বিদেশে পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম জব

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:২০

বিদেশে পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম জব

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া শিক্ষার্থীদের অনেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ করেন। এতে দৈনন্দিন খরচের কিছুটা জোগান দেওয়ার পাশাপাশি কাজের অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়। তবে দেশভেদে শিক্ষার্থীদের কাজের সময়সীমা ও সুযোগে ভিন্নতা রয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানিতে শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন কাজের নিয়ম ও সম্ভাব্য আয় তুলে ধরা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থীরা সাধারণত সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্যাম্পাসের ভেতরে। যুক্তরাজ্যে ক্লাস চলাকালে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজের সুযোগ রয়েছে, তবে ছুটির সময়ে পূর্ণকালীন কাজ করা যায়। কানাডায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস চলাকালে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা ক্যাম্পাসের বাইরে কাজ করতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সময় দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা কাজের অনুমতি রয়েছে, তবে সরকারি ছুটিতে এই সীমা থাকে না। জার্মানিতে বছরে সর্বোচ্চ ১৪০ পূর্ণ দিন বা ২৮০ অর্ধদিবস কাজের অনুমতি রয়েছে। সেমিস্টারের সময় সাধারণত সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার নিয়ম রয়েছে।

আয়ের দিক থেকেও দেশভেদে পার্থক্য দেখা যায়। যুক্তরাজ্যে খুচরা বিক্রি ও রেস্তোরাঁ-হসপিটালিটি খাতে শিক্ষার্থীরা ঘণ্টায় ১১ থেকে ১৪ পাউন্ড আয় করতে পারেন। তবে গণিত, বিজ্ঞান বা ইংরেজি বিষয়ে দক্ষ শিক্ষার্থীরা টিউশনের মাধ্যমে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩০ পাউন্ড পর্যন্ত আয় করতে পারেন। কানাডায় সাধারণ চাকরিতে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ১৮ কানাডীয় ডলার আয় হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সহকারী হিসেবে ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৪০ কানাডীয় ডলার পর্যন্ত আয় সম্ভব। গবেষণা সহকারী হিসেবে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৩৫ কানাডীয় ডলার আয় করা যায়।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন কাজ তুলনামূলক বেশি আকর্ষণীয়। খুচরা বিক্রি ও হসপিটালিটি খাতে ঘণ্টায় ২৭ থেকে ৩০ অস্ট্রেলীয় ডলার আয় করা যায়। টিউশনের মাধ্যমে ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৫০ অস্ট্রেলীয় ডলার পর্যন্ত আয় সম্ভব। দেশটির উচ্চ ন্যূনতম মজুরি শিক্ষার্থীদের জন্য খণ্ডকালীন কাজকে আরো লাভজনক করে তুলেছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, বিদেশে পড়াশোনার আগে শুধু খণ্ডকালীন চাকরির আয়ের ওপর নির্ভর করে আর্থিক পরিকল্পনা করা উচিত নয়। এসব আয় সাধারণত বাজার-সদাই, যাতায়াত ও মোবাইল বিলের মতো নিয়মিত খরচ সামলাতে সহায়ক হয়। টিউশন ফি ও বাসাভাড়ার মতো বড় খরচের জন্য পরিবারের সহায়তা বা অন্য উৎসের ওপর নির্ভর করতে হয়।

Logo