Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

সৌদি আরবে ‘নিতাকাত’ নীতি: কর্মসংস্থানে নতুন কাঠামো

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩:৩৭

সৌদি আরবে ‘নিতাকাত’ নীতি: কর্মসংস্থানে নতুন কাঠামো

সৌদি আরবের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে নিতাকাত ব্যবস্থা। এটি মূলত বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কর্মীবাহিনীতে সৌদি নাগরিকের সংখ্যা অনুযায়ী শ্রেণিবদ্ধ করে। এর মাধ্যমে দেশটির নাগরিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং বিদেশি কর্মী নিয়োগে শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করছে সরকার।

সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু স্থানীয় নাগরিকদের কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার নিতাকাত নীতি চালু করেছে। এই নীতির আওতায় কোনো প্রতিষ্ঠানে সৌদি নাগরিকের উপস্থিতি যত বেশি, সেই প্রতিষ্ঠান তত বেশি সুবিধা পাবে। অন্যদিকে, সৌদি কর্মীর সংখ্যা কম হলে বিদেশি কর্মী নিয়োগে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হবে।

নিতাকাত ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। যেসব প্রতিষ্ঠান সৌদি নাগরিকদের বেশি নিয়োগ দেয়, তারা ‘গ্রিন’ বা ‘প্লাটিনাম’ ক্যাটাগরিতে থাকে। আর যেসব প্রতিষ্ঠান সৌদি কর্মী কম নিয়োগ করে, তারা ‘রেড’ বা ‘ইয়েলো’ ক্যাটাগরিতে পড়ে। এই শ্রেণিবিন্যাস সরাসরি প্রভাব ফেলে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতিতে।

নতুন ভিসা কাঠামোর আওতায় কোনো প্রতিষ্ঠানের নিতাকাত অবস্থান নির্ধারণ করবে তারা কতজন বিদেশি কর্মী নিতে পারবে। উদাহরণস্বরূপ, ‘গ্রিন’ বা ‘প্লাটিনাম’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে পারবে। কিন্তু ‘রেড’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন ভিসা পাবে না। ফলে বিদেশি কর্মীদের জন্য সুযোগ সীমিত হয়ে যাবে।

নিতাকাত নীতির মূল লক্ষ্য হলো সৌদি নাগরিকদের চাকরির সুযোগ বাড়ানো। সরকার মনে করছে, এভাবে ধাপে ধাপে বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে স্থানীয়দের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শ্রমিকরা সৌদি আরবে কাজ করেন। নিতাকাত নীতি কার্যকর হওয়ার ফলে নতুন প্রতিষ্ঠানগুলো সীমিত সংখ্যক ভিসা পাবে। পুরোনো প্রতিষ্ঠানগুলো সৌদি কর্মী নিয়োগ বাড়ালে বেশি ভিসা পাবে। ফলে প্রবাসীদের জন্য প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং দক্ষ কর্মীদের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।

Logo