Logo
×

Follow Us

ইউরোপ

মন্টেনিগ্রোতে যেসব খাতে শ্রমিক চাহিদা বেশি

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৯

মন্টেনিগ্রোতে যেসব খাতে শ্রমিক চাহিদা বেশি

ইউরোপের সমৃদ্ধ দেশ মন্টেনিগ্রোতে শ্রমবাজার মূলত পর্যটন, নির্মাণ ও উৎপাদন খাতকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। দেশটির অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি হলো পর্যটন ও খাদ্যসেবা খাত, যা পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। পাশাপাশি নির্মাণ ও হালকা উৎপাদন শিল্পও শ্রমিক নিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

মন্টেনিগ্রোর অর্থনীতির সবচেয়ে বড় অংশ আসে পর্যটন থেকে। হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট ও খাদ্যসেবা খাতে মৌসুমি ও সেবাভিত্তিক শ্রমিকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। দেশটির সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে পর্যটন মৌসুমে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়।

নির্মাণ শিল্প মন্টেনিগ্রোর আরেকটি বড় শ্রমবাজার। উপকূলীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, রিয়েল এস্টেট প্রকল্প ও নতুন আবাসন নির্মাণে প্রচুর দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশি দক্ষ শ্রমিকরা এ খাতে কাজের সুযোগ পেতে পারেন।

মন্টেনিগ্রোতে হালকা উৎপাদন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ধাতু ও খনির সঙ্গে যুক্ত কিছু শিল্প রয়েছে। যদিও শিল্প খাতে কর্মসংস্থান তুলনামূলকভাবে কম, তবুও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদন খাতে শ্রমিকের চাহিদা রয়েছে।

দেশটিতে ন্যূনতম নেট মজুরি নির্ধারিত হয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে। মাধ্যমিক বা নিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতার শ্রমিকদের জন্য মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৬০০ ইউরো। বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারীদের জন্য তা ৮০০ ইউরো। গড় মাসিক বেতন প্রায় ১ হাজার ১৭০ থেকে ১ হাজার ২০০ ইউরো, যা নেট হিসেবে ৮০০ থেকে ৮৮০ ইউরো।

সাপ্তাহিক সর্বোচ্চ কর্মঘণ্টা ৪০ ঘণ্টা নির্ধারিত। অতিরিক্ত সময় কাজ করলে শ্রমিকরা কমপক্ষে ৪০ শতাংশ বেশি মজুরি পান।

মন্টেনিগ্রোতে শ্রমবাজার মূলত পর্যটন, নির্মাণ ও উৎপাদন খাতকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। ন্যূনতম মজুরি ও শ্রম মানদণ্ড তুলনামূলকভাবে উন্নত হওয়ায় দেশটি বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সম্ভাবনাময় হতে পারে। বাংলাদেশ সরকারের উচিত মন্টেনিগ্রোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা।

Logo