Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে কঠোর ইতালি

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:২৬

অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে কঠোর ইতালি

অনিয়মিত অভিবাসন, মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ইতালি আরো কঠোর অবস্থান নেবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো।

২৯ অক্টোবর মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি বলেন, লিবিয়া হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে ইউরোপে প্রবেশের পরিবর্তে মানুষকে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনের বিষয়ে উৎসাহিত করতে চায় ইতালি।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় নিরাপদ অভিবাসন, মানব পাচার, অভিবাসী চোরাচালান এবং টেকসই পুনরেকত্রীকরণ বিষয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার ৬১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

ঢাকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, বিদেশে যাওয়াই জীবনে সফল হওয়ার একমাত্র পথ নয়। দেশের ভেতরেও সম্মানজনক জীবন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে, সেটি মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।

তিনি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দালালের ওপর নির্ভর না করে সরকারি সংস্থা এবং নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন।

গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষার পাশাপাশি পাচারকারী চক্রের কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা প্রয়োজন। এতে মানুষ সচেতন হবে এবং অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়বে।

কর্মশালায় আরো বক্তব্য দেন লরা কার্তানিয়া ইয়াখ, নূরুল কাদের, জুসেপ্পে দি জোভান্নি, জাহাঙ্গীর আলম, শরিফুল হাসান, মুনজুরুল করিম এবং সালাউদ্দিন রাসেল।

বক্তারা বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানব পাচার প্রতিরোধ এবং বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপগামী অনেক মানুষ দ্রুত ও সহজে বিদেশে পৌঁছানোর আশায় দালালচক্রের খপ্পরে পড়েন। ফলে মানব পাচার, অর্থনৈতিক ক্ষতি ও জীবনহানির ঝুঁকি তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতে নিরাপদ, বৈধ ও তথ্যভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

Logo