ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্টে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৪৬
উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশযাত্রায় ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেটের ব্যবহার বাংলাদেশে এখন বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা ব্যাংক আমানত দেখানোর জন্য কোথাও ২ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর সঙ্গে কিছু ব্যাংক কর্মকর্তা ও কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া গেছে।
দৈনিক বণিক বার্তার সম্প্রতি প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক শিক্ষার্থীর প্রকৃত আমানত না থাকলেও অর্থের বিনিময়ে বড় অঙ্কের সলভেন্সি সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। এমনকি শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের নামে ঋণ সৃষ্টি করে সেই অর্থকে আমানত দেখিয়ে বড় অঙ্কের ব্যাংক ব্যালান্স তৈরির কৌশলও ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ্যে ‘ফান্ড সাপোর্ট’ ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেওয়ার বিজ্ঞাপন চলছে।
বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে উদ্বেগ জানিয়েছে। গত মে মাসে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকও ভিসা আবেদনে ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্টের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে তুলে ধরেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ভিসার জন্য দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি ও ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটে অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর কোড ব্যবহারের নির্দেশ দেয়। কিন্তু এরপরও অনিয়ম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
বণিক বার্তার প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের জালিয়াতি শুধু ভিসা প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে না, বরং বাংলাদেশের নাগরিক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি বিদেশিদের আস্থাও ক্ষুণ্ন করছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতার ওপরও।
logo-1-1740906910.png)