বাংলাদেশ উজবেকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়। ৪ মে সমরখন্দে উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভের সঙ্গে বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বোর্ড অব গভর্নরসের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে সমরখন্দ সফর করছেন অর্থমন্ত্রী। বৈঠকে তাঁর সঙ্গে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে অর্থমন্ত্রী নতুন সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানোর জন্য উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শভকত মির্জিইয়োয়েভকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মানুষের মধ্যে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বন্ধন রয়েছে। এই ভিত্তিতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা জরুরি।
অর্থমন্ত্রী বিশেষ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং গণযোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি ঢাকা-তাসখন্দ রুটে উজবেক এয়ারওয়েজের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর অনুরোধ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের কূটনৈতিক মিশন খোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও পাটজাত পণ্যের জন্য উজবেকিস্তানের বাজারে সহজ প্রবেশাধিকার চান অর্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানান। তিনি উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানান।
উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশের সঙ্গে কার্যকরভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাণিজ্য, কৃষি ও পর্যটন খাতে অপেক্ষমাণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেন।
বাংলাদেশের বস্ত্র ও ওষুধ শিল্পের অগ্রগতির প্রশংসা করে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, শিগগিরই একটি উজবেক ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। তাঁদের লক্ষ্য হবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করা।
logo-1-1740906910.png)