Logo
×

Follow Us

উত্তর আমেরিকা

'বার্থ ট্যুরিজম' দমনে যুক্তরাষ্ট্রে ৬০০ ভিসা বাতিল

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৩:০৭

'বার্থ ট্যুরিজম' দমনে যুক্তরাষ্ট্রে ৬০০ ভিসা বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বা সন্তান জন্মের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। গত এক মাসে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর ৬০০-এর বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে। ১২ আগস্ট এ তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “আমেরিকান নাগরিকত্ব বিক্রির জন্য নয়।” তিনি অভিযোগ করেন, অপরাধী সংগঠনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের আইনকে অপব্যবহার করে বিদেশিদের ভিসা জালিয়াতি শেখাচ্ছে এবং নথি জাল করে তাদের সন্তানদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করছে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে গঠিত হয়েছে বিশেষায়িত বার্থ ট্যুরিজম প্রিভেনশন টাস্কফোর্স। এর কাজ হলো এসব নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা ও ভেঙে দেওয়া। রুবিও জানিয়েছেন, টাস্কৃফোর্স ভিসাধারীদের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে এবং জাতীয় আইনকে অপব্যবহার বন্ধ করবে।

এই অভিযানের পেছনে রয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৬ আগস্ট জারি করা নির্বাহী আদেশ। ওই নির্দেশনায় ‘বার্থ ট্যুরিজম’কে অভিবাসন নীতির পরিকল্পিত অপব্যবহার এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশ অনুযায়ী, পররাষ্ট্র দপ্তর ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে স্থায়ীভাবে ভিসা বাতিল ও সংশ্লিষ্টদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

রুবিও বলেন, “আমরা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করব বার্থ ট্যুরিজম নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে এবং মার্কিন নাগরিকত্বের মর্যাদা রক্ষা করতে।”

ট্রাম্প এর আগে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগ নিলেও সুপ্রিম কোর্ট তা প্রত্যাখ্যান করেছিল। এবার তিনি নতুন কিন্তু সীমিত পরিসরে দুটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। এর মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সাংবিধানিক বিধানকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস বিশেষভাবে ‘বার্থ ট্যুরিজম’কে লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

জুন মাসে সুপ্রিম কোর্টে ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প কংগ্রেসকে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে পরে তিনি নির্বাহী আদেশের পথ বেছে নেন। যদিও নির্বাহী আদেশ আইন নয়, তবুও এটি নীতিগতভাবে কার্যকর হয় এবং প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেয়।

Logo