মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নেতাদের উপস্থিতি দিন দিন বাড়ছে। যদিও তারা মূলত রাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয়, তবুও তাদের অর্জন বাংলাদেশি প্রবাসী সমাজের জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।
জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে দুইজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক ইতিহাস গড়েছেন। শেখ রহমান ২০১৮ সালে জর্জিয়া স্টেট সিনেটে নির্বাচিত হয়ে প্রথম মুসলিম ও এশীয়-আমেরিকান আইনপ্রণেতা হিসেবে জায়গা করে নেন। তিনি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। অন্যদিকে নাবিলা ইসলাম পার্কেস ২০২২ সালে জর্জিয়া স্টেট সিনেটে নির্বাচিত হয়ে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
কানেকটিকাট স্টেট সিনেটের ডিস্ট্রিক্ট ৪ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মাসুদুর রহমান। তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির হয়ে জয়ী হয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অবস্থান আরো দৃঢ় করেছেন।
ভার্জিনিয়ার ডিস্ট্রিক্ট ৩৭ থেকে স্টেট সিনেটে দায়িত্ব পালন করছেন সাদ্দাম সেলিম। স্থানীয় রাজনীতিতে তার সক্রিয়তা বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্য নতুন অনুপ্রেরণা।
নিউ হ্যাম্পশায়ার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে রিপাবলিকান নেতা আবুল বাশার খান একাধিক মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রকিংহ্যাম ডিস্ট্রিক্ট ৩০-এর প্রতিনিধিত্ব করছেন।
নিউ জার্সির প্লেইনসবরো টাউনশিপে দীর্ঘদিন কাউন্সিলম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক ড. নুরুন্নবী। তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মর্যাদা বাড়িয়েছেন।
মার্কিন রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নেতারা রাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাদের অর্জন শুধু প্রবাসী সমাজের নয়, বরং বাংলাদেশের জন্যও গর্বের বিষয়। শেখ রহমান থেকে নাবিলা ইসলাম পার্কেস, মাসুদুর রহমান থেকে আবুল বাশার খান; প্রত্যেকেই নিজ নিজ অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশি পরিচয়কে উজ্জ্বল করেছেন।
logo-1-1740906910.png)