১ লাখ ডলার ফি সত্ত্বেও কমেনি যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা আবেদন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১
যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসার আবেদনে ১ লাখ ডলারের ফি কার্যকর হওয়ার পরও আবেদনকারীর সংখ্যা কমেনি বলে দাবি করেছেন সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের গবেষক জন মিয়ানো। তার মতে, অধিকাংশ আবেদনকারী আগেই যুক্তরাষ্ট্রে অন্য ভিসা স্ট্যাটাসে অবস্থান করছিলেন, ফলে নতুন ফি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি।
মিয়ানো তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালে এইচ-১বি ভিসা সুবিধাভোগীদের ৫৪ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। অর্থাৎ প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কর্মী আগেই সেখানে অবস্থান করছিলেন। ফলে তারা লটারিতে অংশ নিয়ে ফি থেকে অব্যাহতি পান। তার মতে, এ কারণেই ৮৫ হাজার ভিসার কোটা প্রতি বছর পূর্ণ হচ্ছে এবং ফি কোনো প্রভাব ফেলছে না।
তিনি বলেন, “গত বছর এবং তার আগের বছরের মতো এবারো ৮৫ হাজার ভিসা থাকবে। ফি কার্যকর হলেও অনুমোদনের মোট সংখ্যা কমেনি। শুধু নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।” মিয়ানো আরো জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে দেওয়া কোটাবহির্ভূত ভিসাগুলোর ওপর ফি কী প্রভাব ফেলবে, তা অর্থবছরের শেষে বোঝা যাবে।
তবে ক্যাটো ইনস্টিটিউটের ইমিগ্রেশন স্টাডিজ বিভাগের পরিচালক ডেভিড জে. বিয়ার ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তিনি বলেন, ফি কার্যকর হওয়ার ফলে নতুন বিদেশি প্রতিভা যুক্তরাষ্ট্রে আসার সুযোগ কমে যাচ্ছে। যারা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন, তারা শুধু ভিসার ধরন পরিবর্তন করছেন, নতুন করে অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন না।
বিয়ার বলেন, “এটি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। কারণ নতুন কর্মী আসার সুযোগ কমে যাচ্ছে। এমনকি যদি আমরা স্ট্যাটাস পরিবর্তন ও নতুন ভিসা উভয় দিক বিবেচনা করি, তবুও ফি শেষ পর্যন্ত ভিসার সংখ্যা কমিয়ে দেবে।” তার মতে, কোটাবহির্ভূত প্রায় ৫০ হাজার কর্মীর ভিসা ইস্যু কমে যেতে পারে।
এই বিতর্কের মধ্যে সম্প্রতি প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছর ২০২৭-এর এইচ-১বি লটারিতে আবেদনকারীর সংখ্যা কমেছে। ফলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা একমত যে, প্রতি বছরই ৮৫ হাজার ভিসার কোটা পূর্ণ হবে।
logo-1-1740906910.png)