Logo
×

Follow Us

উত্তর আমেরিকা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভয়ংকর অপরাধে গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশি

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৯

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভয়ংকর অপরাধে গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভয়ংকর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১০ জন বাংলাদেশি। তাদের নাম-পরিচয়সহ ছবি প্রকাশ করেছে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি ও হামলার মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত এদেরকে ‘খারাপের চেয়েও খারাপ’ অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সমকাল অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।  

ডিএইচএসের আওতাধীন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গত এক বছরে প্রায় ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে ৫৬ হাজার জন গুরুতর অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ছিল। এবার বাংলাদেশি নাগরিকদের নাম প্রকাশ করায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী কমিউনিটিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।  

গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, শিশুদের ওপর হামলা, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি-ছিনতাই এবং হামলা। ডিএইচএস জানিয়েছে, এরা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধী। তাদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে সাঈদ, শাহেদ, আহমেদ, হোসেন, মাহতাব, নেওয়াজ, আবির, আলমগীর, রাফি ও কনক।  

ডিএইচএসের উপ-সহকারীমন্ত্রী লরেন বিস এক বিবৃতিতে বলেন, “যারা শিশুদের ওপর হামলা চালায় বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো সুযোগ নেই।” তিনি আরো বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা সাম্প্রতিক অভিযানে গুরুতর অপরাধে জড়িত অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা গুরুতর অপরাধে জড়িত, তাদেরকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। গত এক বছরে আইসিই প্রায় ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশিও রয়েছে।  

বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই এ ঘটনায় বিব্রত ও উদ্বিগ্ন। তারা মনে করছেন, কয়েকজনের অপরাধের কারণে পুরো কমিউনিটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ প্রবাসীরা নিরাপদে থাকতে পারেন।

Logo