Logo
×

Follow Us

উত্তর আমেরিকা

২০২৬ সালে অভিবাসী নিয়ন্ত্রণ আরো কঠোর করবে ট্রাম্প

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২২

২০২৬ সালে অভিবাসী নিয়ন্ত্রণ আরো কঠোর করবে ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ২০২৬ সালে অভিবাসী নিয়ন্ত্রণ আরো কঠোর করতে যাচ্ছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে আরো রেইড চালানো, ইমিগ্রেশন এজেন্ট বাড়ানো এবং নতুন ডিটেনশন সেন্টার খোলা হবে। তবে এ সিদ্ধান্তের কারণে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন।

রিপাবলিকান কংগ্রেস জুলাই মাসে ১৭০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত বাজেট অনুমোদন করেছে, যা ICE এবং বর্ডার প্যাট্রোলের বর্তমান বার্ষিক ১৯ বিলিয়ন ডলারের বাজেটের চেয়ে ব্যাপক বৃদ্ধি। প্রশাসন আশা করছে, নতুন বাজেটের মাধ্যমে হাজার হাজার এজেন্ট নিয়োগ, স্থানীয় জেল থেকে অভিবাসী গ্রেপ্তার এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করে অনিয়মিত অভিবাসীদের খুঁজে বের করা যাবে।

ট্রাম্পের অভিবাসী নীতি নিয়ে জনমতের চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে মায়ামি শহরে, যেখানে বড় অভিবাসী জনগণ রয়েছে, সম্প্রতি ডেমোক্র্যাটিক মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাইক মাদ্রিড বলেন, “এটি শুধু অভিবাসনের বিষয় নয়, এটি অধিকার লঙ্ঘন এবং শহরকে সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণের মতো।” ট্রাম্পের অভিবাসী নীতি অনুমোদন ৫০% থেকে কমে ৪১% এ নেমেছে।

এই নীতি অনুযায়ী, হাইতিয়ান, ভেনেজুয়েলা এবং আফগানিস্তানের হাজার হাজার অভিবাসীর অস্থায়ী বৈধতা বাতিল করা হয়েছে। ট্রাম্পের লক্ষ্য প্রতি বছর ১ মিলিয়ন অভিবাসীকে ডিপোর্ট করা, যদিও এই লক্ষ্য প্রায় অসম্ভব। এ পর্যন্ত ট্রাম্পের শাসনকালে ৬ লাখ ২২ হাজার অভিবাসী ডিপোর্ট করা হয়েছে।

সাদা বাড়ির বর্ডার বিশেষজ্ঞ টম হোম্যান জানান, “এডমিনিস্ট্রেশন ইতোমধ্যেই ঐতিহাসিক ডিপোর্টেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। নতুন বাজেটের সাহায্যে গ্রেপ্তার সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়বে এবং কর্মক্ষেত্রে আরো কার্যক্রম চালানো হবে।”

কর্মক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখা হলে ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। কিছু ব্যবসায়ী ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে অথবা গ্রাহক কমে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছে। অভিবাসীদের অনুপস্থিতি শ্রম ব্যয় বাড়াতে পারে এবং অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। অভিবাসী কঠোরতার পক্ষের বিশেষজ্ঞ জেসিকা ভওন বলেন, “শেষপর্যায়ে আপনাকে নিয়োগকর্তাদের দিকে তাকাতে হবে, তখনই তারা নিজেরা নিয়ম মানতে শুরু করবে।”

ট্রাম্পের এই নীতি নিয়ে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া কেমন হবে, তা নভেম্বরের মধ্যমেয়াদি নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Logo