যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসায় আরো নতুন কিছু বিধিনিষেধ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৪৮
যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে হোয়াইট হাউস। সম্প্রতি ১ লাখ ডলারের নতুন ভিসা ফি ঘোষণার পর এবার আরো কিছু বিধিনিষেধের প্রস্তাব এসেছে, যা প্রযুক্তি ও অভিবাসন খাতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- একাধিক আবেদনকারীকে একই ভিসার জন্য আবেদন করতে দেওয়া হবে না, অর্থাৎ ‘ডুপ্লিকেট এন্ট্রি’ নিষিদ্ধ।
- আবেদনকারীর প্রকৃত চাকরির প্রমাণ, কাজের প্রকৃতি ও বেতন কাঠামো আরো বিস্তারিতভাবে যাচাই করা হবে।
- ভিসা আবেদনকারীকে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে, না হলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
- ভিসা নবায়নের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য ও যাচাইয়ের প্রক্রিয়া কঠোর করা হবে।
এই পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো ভিসা ব্যবস্থাকে আরো স্বচ্ছ ও দক্ষ করে তোলা, যাতে প্রকৃত দক্ষ কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ পান এবং ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ করা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিধিনিষেধ প্রযুক্তি খাতে কর্মরত বিদেশি পেশাজীবীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে আসা এইচ-১বি আবেদনকারীরা এই পরিবর্তনের প্রভাব বেশি অনুভব করবেন।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ৮৫ হাজার এইচ-১বি ভিসা দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২০ হাজার উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য সংরক্ষিত। এই ভিসা মূলত প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও গবেষণা খাতে দক্ষ কর্মীদের জন্য।
হোয়াইট হাউসের মতে, ভিসা ফি বাড়ানো ও বিধিনিষেধ জারি করার মাধ্যমে ভিসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়বে। তবে অভিবাসন আইনজীবী ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এতে প্রকৃত দক্ষ কর্মীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ কমে যেতে পারে।
এই প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে এটি বাস্তবায়িত হলে এইচ-১বি ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরো জটিল ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে। আবেদনকারীদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত; বিশেষ করে নথিপত্র, চাকরির প্রমাণ ও সময়সীমা মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
logo-1-1740906910.png)