কানাডায় স্পনসরশিপ বন্ধের প্রভাব কী হতে পারে?
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১৫:৫০
স্পনসরশিপ কর্মসূচি আওতায় আগে, প্রবাসীরা তাদের মা-বাবা, দাদা-দাদিকে দেশটিতে নিতে পারতেন। কিন্তু সম্প্রতি কানাডা এই কর্মসূচীতে বড় পরিবর্তন এনেছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা বাবা-মা ও দাদা-দাদি স্পনসরশিপ কর্মসূচি (পিজিপি) সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
কানাডার অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মার্ক মিলারের জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, বর্তমানে বিদ্যমান আবেদনের ব্যাকলগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য, নতুন আবেদন গ্রহন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বহুল জনপ্রিয় এই কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে আবেদনকারীদের।
কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব (আইআরসিসি) বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছরে বাবা-মা এবং দাদা-দাদির স্পনসরশিপ কর্মসূচির (পিজিপি) আওতায় আর কোনো নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
সমাধান সুপার ভিসা…
আইআরসিসি বলেছে, ২০২৪ সালে জমা দেয়া আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াকরণ চালু থাকবে, তবে ২০২৩ সালে নতুন কোনো আবেদন নেয়া হবে না। কানাডার সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণে অনেক বাংলাদেশি পরিবার অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছেন। এখন এর পরিবর্তে দেশটিতে বসবাসরত পরিবারগুলো সুপার ভিসা কর্মসূচিকে বিবেচনায় নিতে পারবেন। এই ভিসার আওতায় স্থায়ী বাসিন্দাদের আত্মীয়রা টানা পাঁচ বছর পর্যন্ত কানাডায় বসবাসের অনুমতি পাবেন।
কমবে পিআরের সংখ্যা…
দেশটিতে অভিবাসীদের সংখ্যা হ্রাসের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আইআরসিসি নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দেশটিতে ২০২৫ সালে পিআর বরাদ্দের হার ২০ শতাংশ হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি বছরের জন্য আইআরসিসির পিজিপি কর্মসূচির আওতায় ২৪ হাজার ৫০০ জনের আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, আগামী কয়েক বছরে এই সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাবে বলে জানিয়েছে কানাডার অভিবাসন বিভাগ।
তথ্যসূত্র: দৈনিক ভোরের কাগজ
logo-1-1740906910.png)