Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বাংলাদেশের পোস্টাল ভোটিং মডেল নিতে আগ্রহী নেপাল-শ্রীলঙ্কা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৫৮

বাংলাদেশের পোস্টাল ভোটিং মডেল নিতে আগ্রহী নেপাল-শ্রীলঙ্কা

প্রবাসী ও নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের চালু করা প্রযুক্তিনির্ভর পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং সিস্টেম’ গ্রহণে আগ্রহ দেখিয়েছে নেপাল ও শ্রীলঙ্কা।

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ এই প্রযুক্তি বিশ্বের জন্য নতুন একটি মডেল। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সফল বাস্তবায়নের পর এটি নিয়ে বিদেশি নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর আগ্রহ বাড়ছে।

ইসির ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’ (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বলেন, বাংলাদেশের উদ্ভাবিত পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে একটি অনন্য উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নেপাল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা জানতে এসেছে এবং শ্রীলঙ্কাও এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি অন্য দেশ গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে কারিগরি উন্নয়ন, ত্রুটি সংশোধন এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়বে।

বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা জানতে সম্প্রতি ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় সফর করেছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ড. রাজিব সুব্বা, যিনি নেপালের নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পোস্টাল ভোটিং মডেল অত্যন্ত সফল একটি উদাহরণ। নেপালও বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করছে।

ড. রাজিব সুব্বা জানান, নেপালের বিপুলসংখ্যক নাগরিক বিদেশে কর্মরত রয়েছেন এবং তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এই বাস্তবতা বাংলাদেশের সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে।

তার ভাষায়, “বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। কারণ তারা ইতোমধ্যে এই প্রযুক্তি পরীক্ষা ও বাস্তবায়ন করেছে। ফলে আমরা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্ভাব্য ভুলগুলো এড়িয়ে দ্রুত এগোতে পারব।”

নেপাল আগামী দেড় বছরের মধ্যে একটি প্রাদেশিক নির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পরিকল্পনা করছে বলেও জানান তিনি।

তবে বাংলাদেশের মডেল হুবহু গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। রাজনৈতিক দল, সরকারি সংস্থা এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Logo