Logo
×

Follow Us

ইউরোপ

জার্মানিতে অভিবাসন বাজেট কাটছাঁট

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:২১

জার্মানিতে অভিবাসন বাজেট কাটছাঁট

জার্মানি অভিবাসন খাতে বড় ধরনের বাজেট কাটছাঁটের পরিকল্পনা করেছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাধীন পরামর্শসেবা। এতদিন এসব সেবা দিয়ে আসছিল বিভিন্ন এনজিও ও সিভিল সোসাইটি সংগঠন। তারা আশ্রয়প্রার্থীদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে তথ্য দিত।

কিন্তু নতুন পরিকল্পনায় এসব সেবা সীমিত করে দেওয়া হবে কেবলমাত্র দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য। অর্থাৎ বয়স্ক আশ্রয়প্রার্থী, একাকী শিশু এবং দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থদের জন্যই থাকবে এই সুবিধা। অন্যরা বাধ্য হবে সরকারি অফিসের সীমিত সেবা নিতে।

বছরের পর বছর এনজিওগুলো ফেডারেল অফিস ফর মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজিস বা বিএএমএফের ঘাটতি পূরণ করেছে। বিশেষ করে প্রাথমিক গ্রহণকেন্দ্রে আবেদনকারীর সংখ্যা বেড়ে গেলে সরকারি সেবা ব্যাকলগে পড়ে যায়। তখন এনজিওগুলো এগিয়ে এসে সেবা দিয়েছে।

কিন্তু ২০২৭ সালের বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ৫ মিলিয়ন ইউরো। বর্তমানে যা প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। বাজেটের বড় অংশ চলে যাচ্ছে প্রতিরক্ষা খাতে। ফলে অভিবাসন ও আশ্রয় সেবায় বড় সংকট তৈরি হবে।

অভিবাসন আইন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে স্বাধীন পরামর্শসেবা চালু হয়েছিল। তিন বছরের মূল্যায়নে দেখা গেছে, এটি আশ্রয়প্রক্রিয়াকে আরো কার্যকর করেছে। কিন্তু এখন সেই সেবা সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এনজিওগুলো বলছে, কারা দুর্বল তা অনেক সময় বোঝা যায় কেবল কথোপকথনের সময়। আগে থেকে তা নির্ধারণ করা যায় না। ফলে মানব পাচারের শিকার বা মানসিকভাবে ট্রমাগ্রস্ত মানুষ সহজেই বাদ পড়ে যেতে পারে। গবেষণা বলছে, প্রতি তিনজন আশ্রয়প্রার্থীর একজন মানসিক সমস্যায় ভোগেন।

বামপন্থি দল ডি লিঙ্কে বলছে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন আইনগতভাবেও সম্ভব নয়। কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিন্ন আশ্রয় ব্যবস্থা অনুযায়ী বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ দেওয়া বাধ্যতামূলক।

Logo