সৌদিতে সিআইপি মানিকের সাফল্যের গল্প, ৭০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:১২
একসময় সৌদিতে
এসেছিলেন সাধারণ কর্মী হিসেবে। আজ তার প্রতিষ্ঠানেই কাজ করছেন ৭০০ বাংলাদেশি!
কীভাবে বদলে গেল তার জীবনের গল্প?
কুমিল্লার আদর্শ
সদর উপজেলার ধনুয়াখলা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মাহবুব আলম মানিক। ১৯৯২ সালে সাধারণ
শ্রমিক হিসেবে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পাড়ি জমান তিনি।
শুরুটা ছিল
খুবই সাধারণ। সোলাইমানিয়া এলাকায় ডিস ব্যবসার মাধ্যমে উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু
করেন মানিক। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তার ব্যবসার পরিধি।
বর্তমানে তার
মালিকানাধীন টোকিও সেট, মাহবুব পারফিউম অ্যান্ড উদ খালিজি, নিউম্যাক্স ও মাইক্রোম্যাক্সসহ
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৭০০ বাংলাদেশির।
শুধু সৌদি আরব
নয়; যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন,
কুয়েত, মালয়েশিয়া, কেনিয়া ও উগান্ডাসহ বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশে তার বিভিন্ন পণ্য
রপ্তানি হচ্ছে। ১৫টি দেশে রয়েছে তাদের নিজস্ব অফিস।
পারফিউম, ইলেকট্রনিকস,
কম্বল, ট্রলি ব্যাগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও ব্যবসা পরিচালনা করছেন এই উদ্যোক্তা। পাশাপাশি
দুবাইয়ে রয়েছে তার রিয়েল এস্টেট ব্যবসা।
রেমিট্যান্স
পাঠানোর ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মাহবুব আলম মানিক ও তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার
কয়েকবার বাংলাদেশের সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশেও
বিস্তৃত হচ্ছে তার ব্যবসা। সেখানে অর্ধশতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। পাশাপাশি
নিজ এলাকার বেকার যুবকদের বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা করেছেন তিনি।
শুধু ব্যবসা
নয়, সামাজিক দায়িত্বেও এগিয়ে এসেছেন মানিক। মায়ের নামে প্রতিষ্ঠা করেছেন মেহেরুন্নেসা
ফাউন্ডেশন। প্রতি বছর শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে স্বাবলম্বী
করার উদ্যোগ নেওয়া হয় এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে।
একজন সাধারণ
কর্মী থেকে উদ্যোক্তা মাহবুব আলম মানিকের এই
যাত্রায় যেমন তৈরি হয়েছে শত শত কর্মসংস্থান, তেমনি তার ব্যবসা থেকে তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে
রেমিট্যান্স প্রবাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
logo-1-1740906910.png)