Logo
×

Follow Us

অস্ট্রেলিয়া

নিউজিল্যান্ডে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভিসা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৪০

নিউজিল্যান্ডে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভিসা

২০২৬ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে দেশটি চালু করছে নতুন শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ওয়ার্ক ভিসা। যারা বিদ্যমান পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার জন্য যোগ্য নন, তারা এই নতুন ভিসায় আবেদন করতে পারবেন। এতে ছয় মাসের জন্য খোলা কাজের অধিকার থাকবে। এই সময় তারা চাকরি খুঁজতে পারবেন এবং দীর্ঘমেয়াদি ভিসার পথ খুঁজে নিতে পারবেন।

একই সঙ্গে কিছু শিক্ষার্থীর জন্য পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার সুযোগও বাড়ানো হচ্ছে। যারা ব্যাচেলর ডিগ্রি শেষ করে নিউজিল্যান্ডে লেভেল ৭ গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করবেন, তারা এখন পোস্ট-স্টাডি ভিসার জন্য যোগ্য হবেন। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনেকেই দেশে স্নাতক শেষ করে নিউজিল্যান্ডে গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করতে যান।

তবে দুটি পথ এক নয়। নতুন ছয় মাসের ভিসা কেবল একটি সেতুবন্ধন। এটি দীর্ঘমেয়াদি পোস্ট-স্টাডি ভিসার বিকল্প নয় এবং একবারই পাওয়া যাবে। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য কোর্স বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

নিউজিল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০২৫ সালে ভর্তি হয়েছে প্রায় ৯২ হাজার শিক্ষার্থী, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী রয়েছে। ফলে নতুন নিয়ম তাদের জন্য বাড়তি বিবেচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু পোস্ট-স্টাডি কাজের সুযোগ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। কোর্সের মান, খরচ, কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা এবং ভিসার শর্ত সবকিছু মিলিয়ে দেখতে হবে। জনপ্রিয় বিষয় পড়লেই যে কাঙ্ক্ষিত কাজের সুযোগ মিলবে, তা নয়। যোগ্যতা ও কোর্সের স্তরই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যতের পথ।

খরচের বিষয়টিও বড় হিসাব। শুধু টিউশন ফি নয়, আবাসন, খাবার, পরিবহন, বীমা ও দৈনন্দিন খরচ মিলিয়ে মোট ব্যয় অনেক বেশি। নিউজিল্যান্ডে পড়াশোনার জন্য প্রতি বছর কমপক্ষে ২০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার দেখাতে হয়। আবাসনের খরচ সপ্তাহে ১৪০ থেকে ৪৮৪ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। খাবারের খরচ সপ্তাহে ৮০ থেকে ১২০ ডলার।

শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময় সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৫ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, পার্ট-টাইম কাজকে মূল অর্থায়নের পরিকল্পনা হিসেবে ধরা উচিত নয়।

শিক্ষার্থীরা এখনো বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, ডেটা, ব্যবসা ও স্বাস্থ্য খাতে। তবে শুধু বিষয় নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পসংযোগ, ইন্টার্নশিপ, ক্যারিয়ার সহায়তা এবং স্থানীয় চাকরির বাজারও বিবেচনায় নিতে হবে।

Logo