ভারতের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক সম্পর্কে আগ্রহী বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরো জোরদার ও টেকসই করতে অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৮ সেপ্টেম্বর সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, ন্যায়সঙ্গত ও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান হলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরো বৃদ্ধি পাবে।
রাষ্ট্রপতি অভিন্ন নদ-নদীর পানি ব্যবস্থাপনা দুই দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত উল্লেখ করে গঙ্গা ও তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানান। হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, এ বিষয়ে তার সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়। সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক ও ভবিষ্যৎমুখী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ আগ্রহী।
সাক্ষাতে ভারতের হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং পারস্পরিক মর্যাদা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চায়।
রাষ্ট্রপতি হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, বাণিজ্য, পানি সম্পদ, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দুই দেশের জনগণের সামর্থ্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অভিন্ন শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ ও ভারত আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে। হাইকমিশনারও আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে সম্পর্ককে আরো ফলপ্রসূ ও জনকল্যাণমুখী করবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভারতীয় হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
logo-1-1740906910.png)