Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্যের নিউজ আপডেট ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:০৬

সৌদিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প

বাহরাইন

বাহরাইনে মাদক পাচারের দায়ে প্রবাসীর জেল

বাহরাইনে অভিনব কৌশলে মাদক পাচার ও বিক্রির দায়ে এক এশীয় নাগরিককে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। হাই ক্রিমিনাল কোর্ট অব আপিল আগের রায় বহাল রেখে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার বাহরাইনি দিনার জরিমানা, সাজা শেষে দেশ থেকে বহিষ্কার এবং জব্দ করা মাদক ও সংশ্লিষ্ট সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও বহাল রেখেছেন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে থাকা একই দেশের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি বাহরাইনে মাদক বিক্রির নেটওয়ার্কে যুক্ত হন। বিদেশ থেকে পাচার হয়ে আসা মাদক এবং খালি কনটেইনার সংগ্রহ করে তিনি সেগুলো ছোট ছোট পরিমাণে ভাগ করতেন এবং নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে দিতেন, যাতে ক্রেতা বা নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যরা সেগুলো সংগ্রহ করতে পারে। মাদক পাচারের এই কৌশলটিই ‘ডেড ড্রপ’ নামে পরিচিত। বিমানবন্দরে নিয়মিত তল্লাশির সময় সন্দেহজনক একটি ডাকযোগে আসা প্যাকেট শনাক্ত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি শুরু করে এবং প্যাকেটটি গ্রহণ করতে আসা অভিযুক্তকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কাছে ও প্যাকেট থেকে বিপুল পরিমাণ তরল মাদক, মাদক ব্যবহারের ও বিতরণের জন্য প্রস্তুত বিভিন্ন কনটেইনার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তদন্তে আরো উঠে আসে, একটি ইউরোপীয় দেশ থেকে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে ডাকযোগে মাদক বাহরাইনে আনা হতো এবং পরে নেটওয়ার্কের সদস্যদের মধ্যে তা ভাগ করে বিভিন্ন স্থানে ‘ডেড ড্রপ’ পদ্ধতিতে সরবরাহ করা হতো। অভিযুক্ত নিজেও মাদকের একটি অংশ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রাখতেন বলে তদন্তে প্রমাণ মিলেছে। তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে মাদক বিক্রির সঙ্গে সম্পর্কিত কথোপকথন, ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মাদক বিক্রির কথা স্বীকার করেন। সব তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আপিল আদালত তার ১৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, সাজা শেষে বহিষ্কার এবং জব্দ করা সামগ্রী বাজেয়াপ্তের আদেশ বহাল রাখেন।


সৌদি আরব

সৌদিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প

সৌদি আরবের দাম্মামে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য আগামী ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প পরিচালনা করবে বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ। দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দাম্মামে বর্তমানে চলমান কনস্যুলার ক্যাম্পে ই-পাসপোর্টসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা দেওয়া হচ্ছে। মোবাইল এনরোলমেন্ট কিটের নির্ধারিত সক্ষমতা ও সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ১৫ হাজার ২০০ জনকে ই-পাসপোর্ট সেবা দেওয়া হবে। তবে ১৫ হাজার ২০০ সিরিয়ালের পরও কেউ বর্তমান ক্যাম্পে উপস্থিত হলে তিনি আগামী ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বরের বিশেষ ক্যাম্পের জন্য সিরিয়াল গ্রহণ করতে পারবেন। দাম্মামে বসবাসরত যেসব বাংলাদেশি প্রবাসীর ই-পাসপোর্টসহ অন্যান্য কনস্যুলার সেবা প্রয়োজন, তাদের এই সুযোগ গ্রহণের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

দাম্মামে কনস্যুলার ক্যাম্পটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করায় প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ।


ওমান

ওমানে ভূয়া ট্রাফিক মেসেজ, সতর্ক করল পুলিশ

ওমানে ট্রাফিক জরিমানার নামে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া টেক্সট মেসেজ নিয়ে সবাইকে সতর্ক করেছে রয়্যাল ওমান পুলিশ। প্রতারকরা এমনভাবে মেসেজ পাঠাচ্ছে, যাতে মনে হয় প্রাপকের কোনো ট্রাফিক জরিমানা বকেয়া রয়েছে এবং দ্রুত পরিশোধ না করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মেসেজে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে একটি অননুমোদিত লিংক। পুলিশের ভাষ্য, এটি আসলে মানুষের কাছ থেকে তথ্য বা অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি ইলেকট্রনিক প্রতারণার কৌশল। তাই এমন কোনো মেসেজ পেলেই আতঙ্কিত হয়ে লিংকে ক্লিক করা বা সেখানে গিয়ে কোনো তথ্য দেওয়ার দরকার নেই। বিশেষ করে ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত পরিচয় বা অন্য কোনো সংবেদনশীল তথ্য চাওয়া হলে তা কোনোভাবেই দেওয়া উচিত নয়। রয়্যাল ওমান পুলিশ সবাইকে পরামর্শ দিয়েছে, ট্রাফিক জরিমানা বা এ ধরনের কোনো তথ্য যাচাই করতে হলে শুধু পুলিশের অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যবহার করতে এবং সন্দেহজনক মেসেজ বা লিংক পেলে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে। কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারি সংস্থার নাম ব্যবহার করে পাঠানো কোনো মেসেজ দেখেই সেটিকে সত্য বলে ধরে নেওয়া যাবে না; সামান্য অসতর্কতাও বড় ধরনের সাইবার প্রতারণার কারণ হতে পারে।


কুয়েত

কুয়েতে নাগরিকদের জন্য সতর্কতা মার্কিন দূতাবাসের

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে কুয়েতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে দেশটির মার্কিন দূতাবাস। দূতাবাস বলেছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো জটিল এবং পরিস্থিতির যে কোনো সময় অপ্রত্যাশিতভাবে অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্বার্থ ও সামরিক স্থাপনাকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কুয়েতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে এবং স্থানীয় পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা মার্কিন নাগরিকদের উপস্থিতি বেশি এমন স্থানগুলোতে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলা এবং হঠাৎ কোনো নিরাপত্তা পরিস্থিতি তৈরি হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দূতাবাস জানিয়েছে, কুয়েতে তাদের কর্মী ও কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থায় আপাতত কোনো পরিবর্তন নেই। তবে আঞ্চলিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে বলে সতর্ক করে নাগরিকদের সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপডেট অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি সামরিক তৎপরতার মধ্যে কুয়েতও সম্ভাব্য ঝুঁকির বাইরে নয়। এমন বাস্তবতায় মার্কিন দূতাবাসের এই সতর্কতাকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Logo