কুয়েতে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঠেকাতে স্বর্ণ, মূল্যবান ধাতু এবং রিয়েল এস্টেট খাতে নতুন করে কঠোর নিয়ম চালু করা হয়েছে। দেশটির বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী ওসামা খালেদ বুদাইয়ের জারি করা নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বর্ণ ও মূল্যবান পাথরের ব্যবসায়ীদের এখন গ্রাহক এবং প্রকৃত মালিকানা বা ‘বেনিফিশিয়াল ওনার’ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা, ঝুঁকি অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ এবং কর্মীদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্বও ব্যবসায়ীদের ওপর দেওয়া হয়েছে।
রিয়েল এস্টেট ব্রোকার ও মধ্যস্থতাকারীদের জন্যও একই ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। কোনো সম্পত্তি কেনাবেচা বা লেনদেনের পেছনে প্রকৃত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে এবং সন্দেহজনক কোনো লেনদেন পাওয়া গেলে তা কুয়েত ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে জানাতে হবে। রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীদের লেনদেন-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডও দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করতে হবে।
কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য হলো স্বর্ণ ও সম্পত্তির মতো বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেন হয় এমন খাতকে ব্যবহার করে যাতে কেউ অবৈধ অর্থ বৈধ করার সুযোগ না পায়। নতুন নিয়মের ফলে ব্যবসায়ীদের শুধু লেনদেন সম্পন্ন করলেই হবে না, বরং কার সঙ্গে ব্যবসা করছেন, অর্থের উৎস কী এবং লেনদেনটি অস্বাভাবিক কিনা- এসব বিষয়েও বাড়তি নজর দিতে হবে।
logo-1-1740906910.png)