মানব পাচার ঠেকাতে আইন হয়েছে যুগোপযোগী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০০:০০
মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সদ্য প্রণীত “মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬” কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, অপরাধীচক্র প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল নিচ্ছে, তাই আমাদের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে।
রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি যৌথভাবে আয়োজন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্টগার্ড মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।
মন্ত্রী বলেন, নতুন আইন মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে। এতে তদন্ত ও বিচার পরিচালনার ক্ষমতা জোরদার করা হয়েছে, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের শাস্তি না দেওয়ার নীতি সমুন্নত রাখা হয়েছে, যাতে তাদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত হয়।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা আইনটির মূল বিধান ও বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেন। তদন্ত থেকে বিচার নিষ্পত্তি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে আন্তঃদেশীয় সংঘবদ্ধ অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে বক্তারা বলেন, এসব অপরাধ ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে শোষণ করে, আইনের শাসন দুর্বল করে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।
logo-1-1740906910.png)