প্রতি বছর এক লাখের বেশি বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবে যান। তবে বিমান ভাড়া, কর-চার্জ এবং আবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় হাজিদের আর্থিক চাপও বাড়ছে। এই চাপ কমাতে সৌদি সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।
১৩ জুলাই সচিবালয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ ইবনে ধাফের ইবনে উবাইয়া সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে। বৈঠকে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বিমান ভাড়া ও বিভিন্ন চার্জ কমানো গেলে হাজিদের আর্থিক চাপ অনেকটাই হালকা হবে। তিনি সৌদি সরকারের কাছে এ বিষয়ে সহযোগিতা চান।
সৌদি রাষ্ট্রদূত ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। তিনি বাংলাদেশি হাজিদের জন্য সেবা উন্নত করার পাশাপাশি হজকে আরো সাশ্রয়ী করার প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, সম্প্রতি ক্যাটাগরি ডি আবাসন বাতিল হওয়ায় বাংলাদেশি হাজিদের থাকার খরচ বেড়েছে। তিনি সৌদি কর্তৃপক্ষকে ক্যাটাগরি ডি পুনরায় চালুর অনুরোধ জানান। এতে আবাসন ব্যয় অনেকটা কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে বেসামরিক বিমান, পর্যটন এবং হজ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ সরকার মনে করছে, সৌদি আরবের সহযোগিতা পেলে হজযাত্রা আরো সাশ্রয়ী হবে এবং হাজিদের আর্থিক চাপ কমবে। এতে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে হজ পালন করতে পারবেন।
logo-1-1740906910.png)