দেশে ফিরছেন কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালানো নারী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ১০:১৫
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সরাসরি তৎপরতায় কম্বোডিয়ার একটি স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা ৩৪ বছর বয়সী বাংলাদেশি নারীর দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ব্যাংকক দূতাবাসের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাস ইস্যুর মাধ্যমে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।
২০২৫ সালের আগস্টে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ওই নারী কম্বোডিয়া যান। কম্পিউটারের কাজ ও উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু পৌঁছানোর পর তার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে একটি স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি করা হয়। সেখানে তাকে দিয়ে অনলাইনে আর্থিক জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক কাজ করানো হতো। একাধিকবার পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে ২০২৬ সালের ২০ মে তিনি দালালদের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালাতে সক্ষম হন।
পালানোর পর তিনি প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ কলে যোগাযোগ করেন। মন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকক দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলরকে নির্দেশ দেন। দূতাবাস কর্মকর্তারা ভিডিও কলে তার অবস্থান নিশ্চিত করে কম্বোডিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির সহায়তায় নমপেন শহর থেকে তাকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে কম্বোডিয়া সরকারের সহযোগিতায় দেশে ফেরার প্রক্রিয়া চলছে।
অন্যদিকে ইরাকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিযোগের ভিত্তিতে মন্ত্রী দূতাবাসকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তে দেখা যায়, একটি কোম্পানি সাতজন বাংলাদেশির পাসপোর্ট জব্দ করে রেখেছে। দূতাবাসের প্রচেষ্টায় তারা পাসপোর্ট ফিরে পান। পাসপোর্ট হাতে পেয়ে তারা জানান, ইরাকে কাজ চালিয়ে যেতে চান এবং নিজেদের উদ্যোগে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন।
এছাড়া অভিযোগের ভিত্তিতে রিজু মিয়া ও আইলান মিয়া নামের দুই বাংলাদেশিকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে তদন্ত করা হয়। দূতাবাস কর্মকর্তারা বাগদাদের আরাসাত এলাকায় তাদের খুঁজে পান। তবে নির্যাতনের প্রমাণ না পাওয়া গেলেও তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। ৭ মে তারা বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
logo-1-1740906910.png)