জলবায়ুজনিত অভিবাসনকে নীতিগত অগ্রাধিকার দিতে হবে: স্বপন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩১
জলবায়ুজনিত অভিবাসনকে শুধু মানবিক বা জরুরি সংকট হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, “এটি সময়ের দাবি অভিবাসন বিষয়টিকে চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।”
২৮ এপ্রিল রাজধানীর সিআইআরডিএপি অডিটোরিয়ামে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (আরএমএমআরইউ) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালাটি সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোঅপারেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণও এখন অভিবাসনের বড় কারণ হয়ে উঠেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের অংশগ্রহণে গঠিত একটি নির্বাচিত সরকার, যা জনগণের সমস্যার সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
জাহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিজ্ঞান এখনো পৃথিবীর বাইরে মানুষের বসবাসযোগ্য কোনো গ্রহ আবিষ্কার করতে পারেনি। তাই এই পৃথিবীকে রক্ষা করতেই হবে, বাসযোগ্য রাখতেই হবে।”
তিনি গবেষক ও নাগরিক সমাজের সদস্যদের আহ্বান জানান, অভিবাসীদের দুর্ভোগ কমাতে সরকার ও সমাজের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আরএমএমআরইউর নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, অভিবাসন শুধু ঢাকায় সীমাবদ্ধ নয়; নীতিনির্ধারকদের সময়োপযোগী ও কার্যকর নীতি গ্রহণ করতে হবে।
ড. সিদ্দিকী বলেন, “খুলনা ও অন্যান্য অঞ্চলে শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে মানুষ ঢাকায় চলে আসছে। যদি বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে শিল্প স্থাপন করা যায় এবং আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়, তাহলে মানুষ নিজ এলাকায় থেকেই আয় বাড়াতে পারবে।
কর্মশালায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, সুইস দূতাবাসের মাইগ্রেশন প্রোটেকশন উপদেষ্টা লিসা তানিথা গ্রেমিঙ্গার, বিআইডিএস মহাপরিচালক অধ্যাপক একে এনামুল হক, স্থপতি ইকবাল হাবিব এবং ক্যারিটাসের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রধান আলেকজান্ডার ত্রিপুরা বক্তব্য রাখেন।
logo-1-1740906910.png)