মধ্যপ্রাচ্যের নিউজ আপডেট ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বাহরাইনে তিন মাসের ঋণের কিস্তি মওকুফ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:১৩
বাহরাইন
বাহরাইনে তিন মাসের ঋণের কিস্তি মওকুফ
বাহরাইনে
যুদ্ধের কারণে স্থবির হয়ে পড়া অর্থনৈতিক
কার্যক্রমে গতি আনতে তিন
মাসের ঋণের কিস্তি মওকুফের
সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। এই মওকুফের
মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের কিস্তিও রয়েছে। দ্য ডেইলি ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়েছে,
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো
ঋণ ও ক্রেডিট কার্ডের
কিস্তি সুদসহ তিন মাসের জন্য
মওকুফের সিদ্ধান্তের সুযোগ দিতে পারে। বাহরাইন
সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রবাসীদের
আনন্দের কারণ হয়েছে, যারা
দেশটিতে ব্যাংক থেকে ঋণ বা
ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা নিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবনযাত্রায়
যে চাপ তৈরি হয়েছে বা যাদের নগদ অর্থের প্রবাহ
কমে গেছে, সরকারের ঋণের কিস্তি মওকুফের
সিদ্ধান্ত তাদের স্বস্তির কারণ হবে বলে
আশা করা হচ্ছে। বাহরাইনে মোট
ঋণের পরিমাণ প্রায় ১১.৩ বিলিয়ন
বাহরাইনি দিনার। ফলে এই সহায়তা
অর্থনীতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে
স্পর্শ করে, যার মধ্যে
রয়েছে খুচরা ঋণগ্রহীতা, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং বৃহৎ কর্পোরেট
প্রতিষ্ঠানসমূহ। বাহরাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এই কর্মসূচির মূল
লক্ষ্য অর্থনীতি ও আর্থিক খাতকে
শক্তিশালী করা।
কুয়েত
কুয়েতে বেড়ে গেছে বিদেশি জালিয়াতি ফোন কল
কুয়েতে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে বিদেশি জালিয়াতি ফোন কল। পুলিশ বলছে, কলগুলো একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক সাইবার ক্রাইম চক্রের অংশ। এসব কল সাধারণত একবার রিং হয়ে দ্রুত কেটে যায়। এসব কল আন্তর্জাতিকভাবে “ওয়ানগিরি স্ক্যাম” নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে প্রতারকরা স্বয়ংক্রিয় কলিং সিস্টেম ব্যবহার করে হাজার হাজার নম্বরে একযোগে কল করে। কেউ যদি ওই নম্বরে কলব্যাক করে বা কল রিসিভ করে, তাহলে তাকে উচ্চমূল্যের আন্তর্জাতিক নম্বরে সংযুক্ত করা হয়, যেখানে ভয়েস মেসেজ বা অটোমেটেড সিস্টেমের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে লাইন ধরে রেখে প্রতি মিনিটে অতিরিক্ত চার্জ আদায় করা হয়। ফলে অজান্তেই ভুক্তভোগীর কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ কেটে নেওয়া হয়। এছাড়া প্রতারক চক্রগুলো ভুয়া এসএমএস পাঠায়, যেখানে কুরিয়ার সার্ভিস, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আপডেট বা অন্যান্য জরুরি তথ্যের নামে লিংক দেওয়া থাকে। আর এসব লিংকে ক্লিক করলে মোবাইল হ্যাক হয়ে যেতে পারে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে। কর্তৃপক্ষ জনগণকে পরামর্শ দিয়েছে, অচেনা বিদেশি নম্বর থেকে আসা কল রিসিভ না করতে, বিশেষ করে যদি সেই দেশে পরিচিত কেউ না থাকে, একবার রিং দিয়ে কেটে যাওয়া কল সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করতে, সন্দেহজনক নম্বর দ্রুত ব্লক করতে এবং অজানা কোনো লিংকে কখনো ক্লিক না করতে। এসব কলের বিষয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
সৌদি আরব
মদিনায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা
সৌদির
মদিনায় হোটেল ও অন্যান্য পর্যটন
আবাসনগুলোতে অতিথিদের আনা পোর্টেবল গ্যাসের
চুলা ও গ্যাস সিলিন্ডার
ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একটি সার্কুলারে জানানো
হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত মদিনার
সব ধরনের হোটেল, অ্যাপার্টমেন্টসহ সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত আবাসন
প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞার মূল
উদ্দেশ্য হলো অতিথি ও
কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অগ্নিকাণ্ডসহ যে কোনো
ঝুঁকি প্রতিরোধ করা। কারণ এ ধরনের গ্যাসের
চুলা এবং সিলিন্ডারের কারণে
যেখানে সেখানে ব্যবহার বড় ধরনের দুর্ঘটনা
ঘটতে পারে। মন্ত্রণালয় আবাসন
প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক ও পরিচালকদের নির্দেশ
দিয়েছে, যেন তারা কঠোরভাবে
এই নিয়ম মেনে চলতে
এবং চেক-ইনের
সময় অতিথিদের বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন। এই নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করলে
কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে
কর্তৃপক্ষ। ফলে হজে যাওয়া
হাজি কিংবা দেশটিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের
সতর্ক থাকা উচিত।
সংযুক্ত
আরব আমিরাত
আমিরাতের স্কুলে সব ধরনের জাঙ্ক ফুড নিষিদ্ধ
আরব
আমিরাতের স্কুলগুলোতে জাঙ্ক ফুড ও চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি
“ন্যাশনাল গাইড ফর ফুড
অ্যান্ড বেভারেজেস ইন দ্য স্কুল
এনভায়রনমেন্ট” নামে একটি নতুন
জাতীয় নির্দেশিকার আওতায় কার্যকর করা হয়েছে। এই নির্দেশিকায়
বলা হয়েছে, এই নির্দেশ দেশটির
সরকারি-বেসরকারি সব স্কুলের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে
উল্লেখ করা হয়েছে, যে
সব ধরনের কোমল পানীয়, এনার্জি
ড্রিংক ও ফ্লেভারযুক্ত চিনি-যুক্ত পানীয়, চা ও কফি,
বিভিন্ন ধরনের ক্যান্ডি, চকলেট, ললিপপ, চুইংগাম, চকলেট-বিস্কুট, ভাজাপোড়া খাবার যেমন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই,
চিপস, কেক ও ডোনাট
সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন সসেজ
বা মর্টাডেলাও নিষিদ্ধের তালিকায় রয়েছে এবং বাদাম বা
বাদাম দিয়ে তৈরি খাবারও
অ্যালার্জির ঝুঁকির কারণে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে
এর বাস্তবায়ন তদারকি, পরিদর্শন, নিয়ম লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
logo-1-1740906910.png)