বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো প্রবাসীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে। টোকিও, রোম, লন্ডন, দুবাই ও জেদ্দায় আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে বাঙালি সংস্কৃতি, লোকসংগীত, নৃত্য এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের মাধ্যমে নববর্ষকে স্বাগত জানানো হয়।
জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, পহেলা বৈশাখ একটি সর্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক উৎসব, যা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষকে একত্রিত করে। সাংস্কৃতিক পর্বে দূতাবাস পরিবারের সদস্যদের পরিবেশনায় সমবেত সংগীত এবং টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে দেশাত্মবোধক গান ছিল অন্যতম আকর্ষণ। এছাড়া লোকনৃত্য ও জাপানি শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় গান দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরো দৃঢ় করেছে।
ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার ও স্থানীয় অতিথিদের অংশগ্রহণে সেখানে পরিবেশিত হয় বাঙালি লোকসংগীত, কবিতা আবৃত্তি এবং ঐতিহ্যবাহী নৃত্য। দূতাবাস প্রাঙ্গণ সাজানো হয় মুখোশ, আলপনা ও গ্রামীণ বাদ্যযন্ত্র দিয়ে, যা অতিথিদের কাছে এক টুকরো বাংলাদেশকে তুলে ধরে।
লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনও আয়োজন করে নববর্ষ উদযাপন। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন। অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় পিঠা-পুলি ও ঐতিহ্যবাহী খাবার দিয়ে। লন্ডনের স্থানীয় গণমাধ্যমে এ আয়োজনকে প্রবাসী বাঙালিদের সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজন করে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রবাসী বাংলাদেশি শিশুদের পরিবেশনায় গান ও নৃত্য ছিল অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ। পাশাপাশি স্থানীয় আরব অতিথিদের জন্যও আয়োজন করা হয় বাঙালি খাবারের স্টল।
সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট নববর্ষ উদযাপন করে প্রবাসীদের অংশগ্রহণে। সেখানে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতীকী আয়োজন করা হয়, যা প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে।
logo-1-1740906910.png)