বিমানে লাগেজ চুরি ও প্রবাসীদের সঙ্গে আচরণে কড়া নির্দেশনা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১১:১৯
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কুর্মিটোলা সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সময় তারা বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ চুরি, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সঙ্গে বিমানের ক্রু-স্টাফদের আচার-ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশনা দেন। বার্তা সংস্থা বাসস এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
৩০ মার্চ সকালে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সদর দপ্তরে পৌঁছালে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. হুমায়রা সুলতানা এবং পরিচালকরা তাদের স্বাগত জানান। এরপর কনফারেন্স কক্ষে বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিমানের বর্তমান রুট নেটওয়ার্ক, বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা, আর্থিক অগ্রগতি, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং আসন্ন হজ অপারেশনসহ সামগ্রিক কার্যক্রমের ওপর বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়।
মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের জাতীয় গর্বের প্রতীক। এ প্রতিষ্ঠানকে আরো আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, লাগেজ চুরির ঘটনায় যেন কোনো ছাড় দেওয়া না হয়। জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানের অগ্রযাত্রাকে আরো ত্বরান্বিত করতে মন্ত্রণালয় সর্বদা পাশে থাকবে। তিনি জানান, চুক্তি স্বাক্ষর সাপেক্ষে ২০৩২ সালের মধ্যে নতুন এয়ারক্রাফট বিমানে যুক্ত হতে পারে। এ প্রেক্ষিতে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত কীভাবে বিমান তার অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করবে তার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা বিমানের অভিজ্ঞ ও দক্ষ জনবলের প্রশংসা করেন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে উৎসাহ দেন।
logo-1-1740906910.png)