প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সব সময় প্রবাসীদের পাশে আছে। রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশে নিহত শ্রমিকদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফেকামারা গ্রামে সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় নিহত প্রবাসী শ্রমিক বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সান্ত্বনা দেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের হাতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
মন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দ্রুত নিহতের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সৌদি সরকারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে নিহতের পরিবারকে প্রদান করা হবে।” তিনি আরো জানান, চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে এ পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের মরদেহ ইতোমধ্যেই দেশে আনা হয়েছে, বাকিদের মরদেহ ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে।
গত ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল বিস্ফোরণে নিহত হন বাচ্চু মিয়া। তিনি কটিয়াদী উপজেলার পশ্চিম ফেকামারা গ্রামের রইস উদ্দিনের ছেলে।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর এই সফরে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়া, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সারওয়ার ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
logo-1-1740906910.png)