Logo
×

Follow Us

বিশ্ব

আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে হামলা, হরমুজ নিয়ে তীব্র সংঘাতের শঙ্কা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬, ১৮:২৪

আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে হামলা, হরমুজ নিয়ে তীব্র সংঘাতের শঙ্কা

ঘটনাটি যদি সত্যি হয়, তাহলে তা হবে বিশ্বপরাশক্তি আমেরিকার সামরিক মর্যাদায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা। কারণ ইরান দাবি করেছে, তারা আমেরিকার প্রধান যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে আঘাত করেছে। কিন্তু আব্রাহাম লিংকনে আঘাত কী খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু? 

১০ বিলিয়ন ডলারের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এই যুদ্ধজাহাজ আব্রাহাম লিংকনকে বলা হয় মার্কিনিদের গর্ব। ইরান যদি সত্যিই তাতে আঘাত করে থাকে, তাহলে তা হবে আমেরিকার জন্য বড় দুঃসংবাদ। 

যদিও ইরানের দাবি আর মার্কিনিরা নাকোচ করে দিয়েছে। এই নিয়ে পাল্টাপাল্টি খবর প্রকাশ করেছে ভারত ও তুরস্কের সংবাদমাধ্যমগুলো। কিন্তু এ নিয়ে ইরানের দাবি আসলে কী? 

ইরান দাবি করেছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির কারণে এখন কার্যত অকার্যকর হয়ে গেছে নৌবহরটি। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, ওমান সাগরে ইরানের সামুদ্রিক সীমান্ত থেকে প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার দূরে থাকা অবস্থায় এই হামলা চালানো হয়। ইরানের দাবি, যুদ্ধজাহাজটি পরে দ্রুত এলাকা ছেড়ে সরে যায়। তাহলে এনিয়ে মার্কিনিরা কী বলছে?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের দাবি নাকোচ করে বলেছে, যুদ্ধজাহাজটি এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় রয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি জাহাজটির সাম্প্রতিক ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যুদ্ধের সময় প্রায়ই নিজের ক্ষয়ক্ষতির কথা যেমন প্রকাশ করা হয় না, আবার অসত্য দাবি করে শত্রুপক্ষের মনোবলে ঘায়েল করার প্রবণতা দেখা যায়। ফলে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এই রণতরীতে হামলা হওয়া বা না হওয়ার বিষয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তবে পারস্য উপসাগর বা জাহাজ চলাচলে বন্ধ থাকা হরমুজ চালু করে দিতে আমেরিকার তৎপরতা আরো পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। ১৩ মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর আড়াই হাজার মেরিন সেনা ও আরো একটি নৌবহরকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার আদেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু নতুন করে কেন এমন আদেশ? কারণটি সহজ। হরমুজের নিয়ন্ত্রণ এখনো কার্যত ইরানের হাতে। আমেরিকা চাইছে পাল্টা হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে, তা জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দিতে। 

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের দুই সপ্তাহের মাথায় অঞ্চলটিতে আবারো মার্কিন সেনা ও নতুন নৌবহর মোতায়েনের খবর সংঘাতের তীব্রতা আরো বাড়ারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। 

Logo