Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

শাহজালালে বাড়ছে চোরাচালানের দৌরাত্ম্য

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬, ২২:০৩

শাহজালালে বাড়ছে চোরাচালানের দৌরাত্ম্য

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে একের পর এক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকেও মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট কমে গেছে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে সুযোগ-সন্ধানী চোরাকারবারিরা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে নানা অবৈধ পণ্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে তারা।  

সম্প্রতি বিমানবন্দরে ধরা পড়েছে নিষিদ্ধ ক্রিম, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও বিপুল পরিমাণ সিগারেট। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১১ মার্চ রোম থেকে আসা বিজি-৩৫৬ ফ্লাইটের যাত্রী আলমগীর কবীরের লাগেজ থেকে ৪৫টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১৪টি আইফোন, ১৪টি স্যামসাং এবং অন্যান্য ব্র্যান্ডের ১৭টি ফোন ছিল। আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫৫ লাখ টাকা। একই দিন শারজা থেকে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ করা হয়।  

পরদিন দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের তিন যাত্রীর কাছ থেকে আরো ৩০টি আইফোন, ৩টি গুগল পিক্সেল ফোন, ৪টি ল্যাপটপ এবং ১৪৫ কার্টুন সিগারেট জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৪৩ লাখ টাকা।  

শাহজালাল, শাহ আমানত ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দীর্ঘদিন ধরেই চোরাচালানকারীদের টার্গেট। বিশেষ করে সোনা পাচার বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। প্রায় প্রতিদিনই সোনার চালান ধরা পড়ছে। গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে, আন্তর্জাতিক মাফিয়ারা দেশি এজেন্টদের সঙ্গে আঁতাত করে পাচার করছে সোনা।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানবন্দর ব্যবহার করে অবৈধ পণ্য আনা কঠিন হলেও চোরাকারবারিরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে নিয়মিত নজরদারির কারণে প্রতিনিয়ত ধরা পড়ছে এসব চালান। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এসএম রাগিব সামাদ বলেন, অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এভসেক, কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।

Logo