ইরানের ইউরেনিয়াম হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬, ১৫:০৭
ছবি - এআই দিয়ে বানানো
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পড়েছে দশম দিনে। ৯ মার্চ পর্যন্ত এই যুদ্ধ বন্ধের কোনো উদ্যোগ নেই বরং আরাে তীব্র হওয়ার আভাস মিলছে।
বিশ্বের নানা গণমাধ্যমে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সংঘাতের মধ্যেই ভেনেজুয়েলার অভিযানের মতো ইরানের ভেতর স্থল অভিযান পরিচালনা করে তাদের সমুদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে মার্কিন বাহিনী। সেই লক্ষ্যে যুদ্ধের লটবহর আরো বড় করছে আমেরিকা। কিন্তু নেতৃত্বে অটুট থাকা ইরানের ভেতরে গিয়ে সৃমদ্ধ ইউরেনিয়াম বগলদাবা করার মার্কিন অভিযানের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণাও মিলছে না।
দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, দেশটির ওসান বিমান ঘাঁটি থেকে একটি বড় মার্কিন নৌবহর অজানা গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই নৌবহরটিও যাচ্ছে পারস্য উপসাগরের দিকেই।
এমন জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই ইরান তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করেছে। মোজতবা খামেনি দেশটির শহীদ সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলী খামেনির দ্বিতীয় পুত্র। দেশটির প্রভাবশালী বাহিনী আইআরজিসি জানিয়েছে, মোজতবার নেতৃত্বে তারা ঐক্যবদ্ধ আছেন।
যদিও আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের নতুন এই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, আমেরিকার সম্মতি না থাকায় মোজতবা খামেনির নেতৃত্ব তারা মানবে না, এই নেতৃত্ব বেশি দিন টিকবেও না। বরং ইরানের নেতৃত্ব ঠিক করবেন ট্রাম্প নিজেই। ট্রাম্পের সাথে একই সুরে কথা বলছেন নেতানিয়াহু।
ইরানে জোর করে নেতৃত্ব পরিবর্তনের সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে সতর্ক করেছে চীন। এদিকে ইসরায়েলের হামলায় তেহরানের তেল শোধনাগারে আগুন লাগার পর দেশটির আকাশজুড়ে কালো ধোঁয়ার স্তর দেখা গেছে।
অন্যদিকে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে। সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার ও কুয়েতে বেসামরিক স্থাপনায় ইরানি হামলার তীব্রতা বেড়েছে বলেও দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।
সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তেলের দাম যদি ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার সহ্য করার ক্ষমতা থাকে, তাহলে এই যুদ্ধের খেলা চালিয়ে যেতে পারে ট্রাম্পের আমেরিকা।
logo-1-1740906910.png)