Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

আটকে পড়া বিমানযাত্রীদের পাশে সরকার

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:০২

আটকে পড়া বিমানযাত্রীদের পাশে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে হঠাৎ যুদ্ধাবস্থা ও তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশ থেকে ওই অঞ্চলগামী সব ধরনের বিমান চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। ইরান, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। চরম অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তির মুখে পড়া এসব যাত্রীর সার্বিক পরিস্থিতির সরাসরি খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাতে যখন বিমানবন্দরে হাজারো মানুষের ভিড় আর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছিল, ঠিক তখনই সেখানে সশরীরে উপস্থিত হন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি আটকে পড়া প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন।

মন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় আট শতাধিক যাত্রীর থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিক আরো হোটেলের ব্যবস্থা করা হবে। বিশেষ করে সিলেট থেকে আসা ওমানগামী ৫৩ জন যাত্রীকে হোটেলে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের সেহরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামীকাল তাদের নিজস্ব গন্তব্যে পৌঁছে দিতে এসি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, কুয়েত বিমানবন্দরে হামলায় তিনজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুইজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন এবং একজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রবাসী মিশন ও দূতাবাসগুলোকে বাংলাদেশিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় প্রবাসী শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যায়ে থাকায় তারা কর্মস্থলে ফেরা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছেন। সরকারি আশ্বাসের পর যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও আকাশসীমা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচলের বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীদের গন্তব্যে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিমানবন্দরের ভেতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যাত্রীদের জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

Logo