সৌদির দুর্ঘটনায় ফাইজা বেঁচে গেছে অলৌকিকভাবে, চলছে চিকিৎসা
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৩৭
সৌদির আবহা শহরের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে লক্ষ্মীপুরের মিজানের পুরো পরিবার। অথচ সেই মৃত্যুর মিছিলের মাঝেও অলৌকিকভাবে বেঁচে আছে ১১ বছর বয়সী ফাইজা, নিহত মিজানুর রহমান মিজানের মেঝো মেয়ে।
জেদ্দার এক হাসপাতালে নীরবে শুয়ে আছে ফাইজা। হয়তো সে এখনো জানে না, এই ছোট্ট বয়সেই সে হারিয়ে ফেলেছে তার বাবা-মা ও দুই বোনকে।
প্রবাসীদের পাঠানো ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালের বেডে ফাইজা আশঙ্কামুক্ত, তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সে ধীরে ধীরে সেরে উঠছে। যদিও দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় আচ্ছন্ন ফাইজা এখনো নির্বাক।
পাশের বেডে আহত আরেকজনও চিকিৎসাধীন, তারও অবস্থা খানিকটা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রবাসীরা।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টার দিকে আবহা শহরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ওমরাহ শেষে জেদ্দা থেকে বাসায় ফেরার পথে মিজানের গাড়িটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।
নিহতরা হলেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের নলচারা বেপারি বাড়ির সৌদি প্রবাসী মিজান, তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি, ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী বড় মেয়ে মেহের আফরোজ এবং দেড় বছর বয়সী ছোট মেয়ে সুবহা আক্তার। একই দুর্ঘটনায় গাড়িচালক জিলানী বাবরও নিহত হন।
সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পরিবার নিঃশেষ হয়ে গেলেও জীবনের প্রতীক হয়ে বেঁচে আছে ফাইজা। এখন প্রশ্ন- এই ছোট্ট ফাইজার সামনে কী অপেক্ষা করছে? কোথায় যাবে সে? আর কার আশ্রয়েই বা সে বড় হবে?
logo-1-1740906910.png)
