Logo
×

Follow Us

এশিয়া

মালয়েশিয়ায় ধরা পড়েছে মানব পাচার সিন্ডিকেট ‘গ্যাং সজল’

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৭

মালয়েশিয়ায় ধরা পড়েছে মানব পাচার সিন্ডিকেট ‘গ্যাং সজল’

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ রাজধানী কুয়ালালামপুরে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ‘গ্যাং সজল’ নামে পরিচিত একটি মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসী চোরাচালান সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। অভিযানে চক্রটির দুজন পরিবহনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন মালয়েশীয় নাগরিক এবং অন্যজন বিদেশি।  

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানিয়েছেন, ২ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে শুরু হওয়া অভিযানে মোট ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা সবাই সম্প্রতি কেলান্তান সীমান্তের একটি অবৈধ প্রবেশপথ ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছে।  

প্রথম পর্যায়ে একটি সুপার মার্কেটের পার্কিং এলাকায় ইমিগ্রেশন দল একটি চার চাকার গাড়ি ও একটি এসইউভি থামিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় আটজন বিদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী অভিযানে নিকটবর্তী একটি কন্ডোমিনিয়ামে হানা দেওয়া হয়, যেটি চক্রটির ‘সেফ হাউস’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। সেখানে দক্ষিণ মালয়েশিয়া ও ক্লাং ভ্যালি এলাকায় পাঠানোর অপেক্ষায় থাকা ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।  

বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিন্ডিকেটটি গত বছরের ডিসেম্বর থেকে সক্রিয় ছিল। তাদের কার্যপদ্ধতি ছিল তৃতীয় কোনো দেশ ব্যবহার করে অভিবাসীদের প্রথমে সেখানে নেওয়া, পরে কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করানো। প্রতিটি অভিবাসীর কাছ থেকে জনপ্রতি ১২ হাজার রিঙ্গিত আদায় করা হতো। মাত্র দুই মাসের কার্যক্রমেই চক্রটি প্রায় ১২ লাখ রিঙ্গিত অবৈধভাবে আয় করেছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।  

আটক ২০ জনের বয়স ১৮ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে একজন মিয়ানমারের নাগরিক এবং বাকি ১৯ জন বাংলাদেশি। অভিযানে দুটি যানবাহন, বাংলাদেশের একাধিক পাসপোর্টের কপি, নগদ ৮২ হাজার ১০০ রিঙ্গিত এবং ৩ হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৫ হাজার ৬০০ রিঙ্গিত) জব্দ করা হয়েছে।  

সব সন্দেহভাজনকে পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক রাখা হয়েছে। মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ আইন ২০০৭, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬-এর আওতায় তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

Logo