Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্যের নিউজ আপডেট ৭ অক্টোবর ২০২৬

সৌদিতে বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুবিধা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:৩১

সৌদিতে বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুবিধা

বাহরাইন

বাহরাইনে সেপ্টেম্বর বহিষ্কার ৫৪৭ প্রবাসী

বাহরাইনে অবৈধভাবে বসবাস ও কাজ করা প্রবাসীদের বিরুদ্ধে আবারও জোরদার অভিযান শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই বিভিন্ন দেশের ৫৪৭ জন অবৈধ প্রবাসীকে বাহরাইন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সময়ে ৬৭ জন অনিয়মিত কর্মীকে আটক করা হয়। বাহরাইনের লেবার মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটি জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে, বাহরাইন জুড়ে ৪ হাজার ৬৭৫টি অভিযান এবং ১৭২টি যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে শ্রমবাজার ও আবাসনসংক্রান্ত আইন ভঙ্গের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হয়। অভিযানে পুলিশ, পাসপোর্ট ও রেসিডেন্স বিষয়ক কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা অংশ নেয়। সবচেয়ে বেশি যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে রাজধানী গভর্নরেটে। শ্রম সংস্থা জানিয়েছে, শ্রমবাজারে অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ এবং দেশটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত চলা বাহরাইনে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি পরিদর্শন এবং ২ হাজার ৮১৫টি যৌথ অভিযানে, ৪ হাজার ৩০৪ জনকে আটক এবং ১৫ হাজার ২১০ জন কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই বাহরাইনে থাকা বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য বৈধ কাগজপত্র, ওয়ার্ক পারমিট ও রেসিডেন্সির নিয়ম ঠিকভাবে মেনে চলা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ।

সৌদি আরব

সৌদিতে বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুবিধা

সৌদি আরবে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুবিধা চালু করেছে দেশটি। এখন থেকে যোগ্য উচ্চ দক্ষতার কর্মীরা নিজেদের ওয়ার্ক ভিসার প্রক্রিয়া চলার সময়ই স্ত্রী ও সন্তানদের সৌদি আরবে আনার জন্য ভিসার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সুবিধার আওতায় কর্মীর স্ত্রী, ২৫ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং অবিবাহিত মেয়েরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। আগে অনেক ক্ষেত্রে কর্মীর নিজের ওয়ার্ক ভিসা ও রেসিডেন্সি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর পরিবারের ভিসার বিষয়টি নিয়ে এগোতে হতো। নতুন ব্যবস্থায় নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করা থাকলে কর্মীর ওয়ার্ক ভিসা প্রক্রিয়ার সঙ্গেই পরিবারের সদস্যদের এন্ট্রি ভিসাও ইস্যু করা যেতে পারে। পরিবার সৌদি আরবে যাওয়ার পর তাদের রেসিডেন্স পারমিটের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দেশটির আইন ও নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন করা যাবে। সৌদি সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো উচ্চ দক্ষতার বিদেশি কর্মীদের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ করা এবং দেশটিতে বসবাসের মান আরও উন্নত করা। তবে মনে রাখতে হবে, এই সুবিধা সব প্রবাসী কর্মীর জন্য নয়—এটি মূলত নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করা উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের জন্য প্রযোজ্য এবং ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করতে হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত

আমিরাতে প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে নতুন নিয়ম

আমিরাতে এখন থেকে প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও চর্বির পরিমাণ নিয়ে আরও কঠোর নিয়ম মানতে হবে। নতুন এই নিয়মের আওতায় নির্দিষ্ট কিছু খাবারে সর্বোচ্চ কতটা সোডিয়াম, চিনি ও ফ্যাট থাকবে, তা নির্ধারণ করে দেবে  দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিয়মটি স্থানীয়ভাবে তৈরি এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা—দুই ধরনের প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে রয়েছে রুটি, মিষ্টি দুধের পানীয়, ফ্লেভারড দই ও লাবান, বিভিন্ন লবণযুক্ত স্ন্যাকস এবং প্রক্রিয়াজাত চিজ। যেমন, ১০০ গ্রাম লেভেনড রুটিতে প্রথম ধাপে সর্বোচ্চ ৪৪৪ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৬ গ্রাম চিনি এবং ৮ দশমিক ৪ গ্রাম ফ্যাট রাখা যাবে। এরপর ধাপে ধাপে এই সীমা আরও কমানো হবে এবং ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত সীমা কার্যকর করতে হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো মানুষের খাবারের পুষ্টিমান বাড়ানো এবং অতিরিক্ত ওজন ও খাদ্যাভ্যাসজনিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমানো। নিয়ম না মানলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা থেকে শুরু করে ৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ দিরহাম পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। গুরুতর বা বারবার নিয়ম ভাঙলে প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৬ মাসের জন্য বন্ধ করে দেওয়া কিংবা লাইসেন্স বাতিলও হতে পারে। 

কুয়েত

কুয়েতে মৃত বাংলাদেশীদের মরদেহ নিয়ে সতর্কতা…

কুয়েতে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশি কর্মীদের মরদেহ দেশে পাঠানোর কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা তোলার বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস, কুয়েত। দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে একটি চক্র কুয়েতে মৃত বাংলাদেশি কর্মীদের মরদেহ দেশে পাঠানোর নামে, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুয়েতের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী মৃত্যুবরণ করলে, তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। আর কোম্পানি বা নিয়োগকর্তা না থাকলে, কিংবা ব্যক্তি নিজ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে, দূতাবাসের মাধ্যমে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।এছাড়া, মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর নামে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যেন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ না করে—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।কুয়েতে কোনো বাংলাদেশি কর্মী মৃত্যুবরণ করলে তাঁর মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য টাকা সংগ্রহ না করে সরাসরি বাংলাদেশ দূতাবাস, কুয়েতের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Logo