কুয়েতে ভিজিট ভিসার নামে ওয়ার্ক পারমিটে প্রতারণা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৩
কুয়েতে ভিজিট ভিসা থেকে রেসিডেন্সি বা ওয়ার্ক পারমিটে রূপান্তরের সুযোগ নিয়ে প্রতারণার আশঙ্কায় প্রবাসীদের সতর্ক করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাস জানিয়েছে, এই সুবিধা সব দেশের নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত নয়। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণকারী, উচ্চতর ডিগ্রিধারী বা বিশেষ কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিরাই এ সুযোগ নিতে পারবেন।
সম্প্রতি স্থানীয় গণমাধ্যমে ১৫০ দিনার ফি দিয়ে ভিজিট ভিসা থেকে কাজের ভিসায় রূপান্তরের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল ব্যাখ্যা ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপালসহ বিভিন্ন দেশের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী ভিজিট ভিসার আবেদন জমা দেন। তবে অধিকাংশ আবেদন তথ্য অসম্পূর্ণ থাকায় বাতিল হয়ে যায়।
বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা মন্ত্রণালয়ের ভিজিট ভিসায় আসা এবং উচ্চশিক্ষাগত যোগ্যতা বা বিশেষ কারিগরি দক্ষতা থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ থাকতে পারে। আবার কেউ কাজের ভিসায় কুয়েতে এসে রেসিডেন্সি প্রক্রিয়া শুরু করার পর জরুরি প্রয়োজনে দেশে গিয়ে এক মাসের মধ্যে বিজনেস ভিজিট ভিসায় ফিরে এলে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ওয়ার্ক পারমিট সম্পন্ন করার সুযোগ থাকতে পারে।
ফ্যামিলি ভিসার ক্ষেত্রেও বিশেষ শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর মাসিক আয় কমপক্ষে ৮০০ কুয়েতি দিনার হতে হবে। নির্দিষ্ট শর্তে স্ত্রী, ১৮ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত মেয়ের ভিজিট ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেকের জন্য ১৫০ দিনার ভিসা পরিবর্তন ফি, স্বাস্থ্যবীমা ও রেসিডেন্সি স্ট্যাম্পের খরচ দিতে হবে।
দূতাবাস স্পষ্ট করেছে, ভিজিট ভিসা পরিবর্তন করে ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার সুবিধা সব জাতীয়তার নাগরিকদের জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নয়। কুয়েতের শ্রমবাজারের চাহিদা এবং রেসিডেন্সি অ্যাফেয়ার্সের মহাপরিচালকের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই অনুমোদন দেওয়া হবে।
তাই ভিজিট ভিসাকে রেসিডেন্সি বা ওয়ার্ক পারমিটে পরিবর্তনের নামে কেউ যদি নিশ্চিতভাবে ভিসা পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ দাবি করে, তাহলে যাচাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
logo-1-1740906910.png)