Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্যের নিউজ আপডেট ৩১ জুলাই ২০২৬

বাহরাইনে প্রবাসীদের নিয়োগ বন্ধে নতুন প্রস্তাবনা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬, ২৩:০৮

বাহরাইনে প্রবাসীদের নিয়োগ বন্ধে নতুন প্রস্তাবনা

বাহরাইন

বাহরাইনে প্রবাসী নিয়োগ বন্ধে নতুন প্রস্তাবনা

বাহরাইনে ভেহিকেল ইন্সপেক্টর পদে প্রবাসী নিয়োগ বন্ধ করে এসব পদ শুধুমাত্র বাহরাইনিদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছেন পার্লামেন্ট সদস্য বাদের আল তামিমি। তার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বেসরকারি যানবাহন পরীক্ষাকেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোতে ধাপে ধাপে বিদেশি কর্মীদের পরিবর্তে প্রশিক্ষিত বাহরাইনি নাগরিকদের নিয়োগ দিতে হবে। যানবাহন পরিদর্শকের দায়িত্ব সরাসরি সড়ক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। অতীতে এই পদটি ট্রাফিক অধিদপ্তরে বাহরাইনিদের জন্য সংরক্ষিত ছিল এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি চাকরি হিসেবে বিবেচিত হতো। তবে বেসরকারি পরীক্ষাকেন্দ্র চালু হওয়ার পর ধীরে ধীরে এসব পদে বিদেশি কর্মীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ কমেছে। প্রস্তাবে বাহরাইনি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা গড়ে তুলতে অনুমোদিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুরও আহ্বান জানানো হয়েছে। এ উদ্যোগ স্থানীয়দের কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এখন প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে। প্রস্তাবটি পাস হলে দেশটিতে থাকা বাংলাদেশী সহ অন্যান্য দেশের প্রবাসীরাও এই পদে চাকরি হারানোর আশংকা করা হচ্ছে।


সৌদি আরব

সৌদিতে হজ-ওমরাহ কোম্পানির জন্য কঠোর বার্তা

সৌদি আরব সরকার হজ ও ওমরাহ সেবাদানকারী কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। কোনো ওমরাহ বা ভিজিট ভিসাধারী হাজি নির্ধারিত সময়ের বেশি সৌদি আরবে অবস্থান করলেও যদি সংশ্লিষ্ট কোম্পানি তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা গুনতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমরাহ মৌসুমে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থানকারীদের বিষয়ে দ্রুত রিপোর্ট করা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির দায়িত্ব। নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনায় আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। তার জন্য জরিমানা এক লক্ষ রিয়েল ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্কতা জানানো সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অবৈধ অবস্থান রোধ এবং ওমরা হাজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 


সংযুক্ত আরব আমিরাত

আমিরাতে ট্রাফিক এআই রাডার ব্যবস্থা চালু

আমিরাতের দুবাইয়ে পুলিশ সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যাধুনিক এআই ভিত্তিক রাডার ব্যবস্থা চালু করছে।এই স্মার্ট রাডার শুধু অতিরিক্ত গতিই নয়, চালকের বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনও অটোমেটিক শনাক্ত করতে পারে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে এই প্রযুক্তি ৮ ধরনের ট্রাফিক অপরাধ শনাক্ত করতে সক্ষম। এআই রাডারে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, লাল বাতি অমান্য করা, লেন শৃঙ্খলা ভঙ্গ, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে গাড়ি চালানো, সিটবেল্ট না বাঁধা, জরুরি লেনের অপব্যবহার, অতিরিক্ত শব্দ করে এমন পরিবর্তিত যানবাহন চালানো এবং অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত কালো টিন্টযুক্ত গাড়ি শনাক্ত করা যাবে। এসব অপরাধের জন্য জরিমানা, ব্ল্যাক পয়েন্ট এবং কিছু ক্ষেত্রে গাড়ি জব্দ করার ব্যবস্থাও রয়েছে। দুবাই পুলিশ বলছে, এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য বেশি জরিমানা আদায় নয়; বরং দুর্ঘটনা কমানো এবং সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এআই প্রযুক্তি রিয়েল-টাইমে যানবাহনের গতি, চালকের আচরণ এবং ট্রাফিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ দ্রুত শনাক্ত করতে পারে। এর মাধ্যমে আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হবে এবং চালকদের ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার প্রবণতাও বাড়বে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।


ওমান

ওমানে মানব পাচার নিয়ে  সতর্ক করল সরকার

ভুয়া চাকরির প্রলোভন এখন মানবপাচার চক্রের অন্যতম বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছে বলে সতর্ক করেছে ওমান। ৩০ জুলাই বিশ্ব মানবপাচারবিরোধী দিবস উপলক্ষে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অপরাধচক্রগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আকর্ষণীয় চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক শ্রম,সাইবার প্রতারণা এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কাজে বাধ্য করছে। মানবপাচার শুধু আইনের লঙ্ঘন নয়, এটি মানুষের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি জানান,ওমানের প্রণীত নতুন আইন মানবপাচারের নতুন কৌশল মোকাবিলা এবং ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা আরও জোরদার করেছে। এদিকে রয়্যাল ওমান পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জামাল হাবিব আল কুরাইশি জানিয়েছেন, ওমানে মানবপাচারের ঘটনা তুলনামূলক কম হলেও প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হয়। তিনি সাধারণ মানুষকে চাকরির প্রস্তাব গ্রহণের আগে নিয়োগকর্তা ও রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠানের সত্যতা যাচাই করার এবং সন্দেহজনক কোনো প্রস্তাব পেলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। 


কুয়েত

কুয়েতে সিসিটিভি ফুটেজ রাখতে হবে থাকবে ১২০ দিন

কুয়েতে নিরাপত্তা নজরদারি আরও জোরদার করতে সিসিটিভি সংক্রান্ত আইনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী, আইনের আওতাভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানকে এখন কমপক্ষে ১২০ দিন সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে কোনো অবস্থাতেই ফুটেজ পরিবর্তন, মুছে ফেলা বা সম্পাদনা করা যাবে না।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগের সংরক্ষণ মেয়াদ অনেক ক্ষেত্রে তদন্তের জন্য যথেষ্ট ছিল না। বিশেষ করে, কোনো ভুক্তভোগী দেরিতে অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ভিডিও প্রমাণ পাওয়া কঠিন হয়ে যেত। তাই তদন্ত ও আদালতের প্রয়োজনে সহজে প্রমাণ সংগ্রহ নিশ্চিত করতেই এই সংরক্ষণ সময় ১২০ দিনে বাড়ানো হয়েছে। নতুন আইনে আরও বলা হয়েছে, তদন্তকারী সংস্থা বা আদালতের নির্দেশ পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সিসিটিভি ফুটেজ সরবরাহ করতে হবে। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমঝোতার আবেদন করতে পারবেন। আবেদন অনুমোদিত হলে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ পরিশোধের মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির সুযোগও থাকবে।  

Logo