ওমানে কর্মরত অবস্থায় দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী হাজীরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে নীলফামারীতে। শুক্রবার সকালে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় আত্মীয়-স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
হাজীরুল ইসলামের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের খোকশাবাড়ী শাহাপাড়া গ্রামে। জীবিকার তাগিদে পরিবারের সুখ-স্বপ্ন পূরণের আশায় তিনি ওমানে কাজ করছিলেন। কর্মস্থলে খেজুর গাছে ওঠার সময় দুর্ঘটনাবশত নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ওমানে থাকা সহকর্মীরা জানান, হাজীরুল অত্যন্ত পরিশ্রমী, সৎ ও বিনয়ী মানুষ ছিলেন। প্রতিদিনের মতোই কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তিনি পড়ে যান। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে গভীর শোক নেমে আসে।
দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় এক মাস পর তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। মরদেহ পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী শেষবারের মতো তাকে দেখতে ভিড় করেন। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হাজীরুল ইসলাম দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারীকে হারিয়ে তার স্ত্রী ও সন্তানরা এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি।
logo-1-1740906910.png)