Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

সৌদি আরবে আল-উরুমাহ সিজনে রেকর্ড ৮ লাখ পর্যটক

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:১০

সৌদি আরবে আল-উরুমাহ সিজনে রেকর্ড ৮ লাখ পর্যটক

সৌদি আরবের অন্যতম প্রধান ইকোট্যুরিজম উদ্যোগ আল-উরুমাহ সিজন পঞ্চম আসরে রেকর্ড ৮ লাখ দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করেছে। ছয় মাসব্যাপী এই আয়োজন দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত ছিল। এর মাধ্যমে সৌদি আরবের প্রকৃতিভিত্তিক পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণে আগ্রহ আরো স্পষ্ট হলো।

ইমাম আবদুলআজিজ বিন মোহাম্মদ রয়্যাল রিজার্ভ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, এ বছর আল-উরুমাহ সিজন অনুষ্ঠিত হয়েছে ইমাম আবদুলআজিজ বিন মোহাম্মদ ও কিং খালিদ রয়্যাল রিজার্ভে। এতে স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ বেড়েছে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং পরিবেশ সচেতনতা জোরদার হয়েছে।

এবারের আসরে ১৪টি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। তারা হাইকিং, সাইক্লিং, ঘোড়ায় চড়া, উটের পিঠে ভ্রমণ, তারামণ্ডল দেখা এবং গাইডেড এক্সপ্লোরেশন ট্রিপসহ ১৪টি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এতে প্রায় ৮৪ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে।

প্রথম আসরে মাত্র ৫২ হাজার দর্শনার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এরপর দ্বিতীয় আসরে ২ লাখ ৩০ হাজার, তৃতীয় আসরে ৩ লাখ এবং চতুর্থ আসরে ৪ লাখ দর্শনার্থী অংশ নেন। পঞ্চম আসরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখে। পাঁচ আসরে মোট দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় ২০ লাখে পৌঁছেছে।

আল-উরুমাহ সিজনের নামকরণ হয়েছে আল-উরুমাহ পর্বতমালা থেকে, যা রিয়াদের পূর্বদিকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার বিস্তৃত। এই আয়োজন শহুরে বিনোদন উৎসবের মতো নয়; বরং প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে দর্শনার্থীদের সংযোগ ঘটায়।

ইমাম আবদুলআজিজ বিন মোহাম্মদ রয়্যাল রিজার্ভের আয়তন ১১ হাজার ৩০০ বর্গকিলোমিটার। এতে দাহনা মরুভূমি ও সবুজ এলাকা রাওদাত খুরাইম অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে কিং খালিদ রয়্যাল রিজার্ভে রয়েছে মরুভূমি ও পাহাড়ি দৃশ্য, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, প্রাচীন শিলালিপি এবং আরবীয় অরিক্স ও গেজেলের মতো বন্যপ্রাণী।

আল-উরুমাহ সিজন আয়োজন করা হয় শরৎ, শীত ও বসন্তকালে, যখন আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে শীতল থাকে। এ কারণে প্রকৃতিপ্রেমী, অভিযাত্রী ও পরিবারগুলো এখানে ভিড় জমায়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী নভেম্বর থেকে ষষ্ঠ আসর শুরু হবে। এতে নতুন কর্মসূচি যুক্ত হবে, যা টেকসই উন্নয়ন, সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ এবং প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য প্রদর্শনে গুরুত্ব দেবে।

Logo