২৭ মে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে পালন করছেন এই মহা উৎসব।
ঈদুল আজহা মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে চেয়েছিলেন। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে মুসলিমরা পশু কোরবানি করে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও আত্মত্যাগের নিদর্শন প্রকাশ করে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে সকালেই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবুধাবিতে সকাল ৫টা ৫০ মিনিটে, দুবাইয়ে ৫টা ৪৫ মিনিটে, শারজাহে ৫টা ৪৩ মিনিটে, আজমানে ৫টা ৩৯ মিনিটে, ফুজাইরাহে ৫টা ৪১ মিনিটে, উম্মে আল কুইনে ৫টা ৪৩ মিনিটে, রাস আল খাইমায় ৫টা ৪০ মিনিটে এবং আল-আইনে সকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
গালফ অঞ্চলের দেশগুলোতে ঈদ উপলক্ষে দীর্ঘ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরকারি কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ছুটি পাচ্ছেন। সপ্তাহান্ত মিলিয়ে প্রায় ৯ দিনের বিরতি তৈরি হয়েছে। সৌদি আরবে আরাফাত দিবস থেকে শুরু হয়ে ৩০ মে পর্যন্ত ছুটি থাকবে। ওমান, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনেও একইভাবে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশি, পাকিস্তানি ও ভারতীয়রা ঈদ উদযাপনে অংশ নিচ্ছেন। অনেকেই সাধ্য অনুযায়ী গরু, ছাগল বা অন্যান্য হালাল পশু ক্রয় করেছেন। ঈদের নামাজ শেষে তারা কোরবানির মাধ্যমে উৎসব পালন করছেন।
logo-1-1740906910.png)