সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বেসরকারি খাতে সাড়ে দুই লাখেরও বেশি পরিদর্শন অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে শ্রম আইন ভঙ্গের প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠানকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা দ্রুত নিজেদের অবস্থান সংশোধন করে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা এবং আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।
জাতীয় কর্মসংস্থান বাড়াতে সৌদাইজেশন নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার পরিদর্শন চালানো হয়। এছাড়া নিয়োগ খাতেও অভিযান চালানো হয়, যেখানে প্রায় ৬ হাজার অফিস ও কোম্পানি পরিদর্শন করে ৩ হাজার ৫২২টি লঙ্ঘন শনাক্ত করা হয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রায় ৯১ হাজার সন্দেহজনক মামলার মধ্যে ১৩ হাজার ৫০৯টি ভুয়া কর্মসংস্থান সম্পর্কিত লঙ্ঘন শনাক্ত করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিতাকাত প্রোগ্রামে এসব ভুয়া কেস বাতিল করা হয়েছে, ৭ হাজার ২০০-এর বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সেবা স্থগিত করা হয়েছে।
সব শনাক্তকৃত মামলাকে মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলের (হাদাফ) কাছে পাঠানো হয়েছে, যাতে শ্রমিকরা বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ পান। মন্ত্রণালয় বলেছে, শ্রমিকদের কল্যাণ ও প্রকৃত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবৈধভাবে গৃহকর্মী সেবা প্রচারকারী ২৩৮টি অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মানব পাচার প্রতিরোধে প্রায় ৫৪ হাজার কেস স্ক্রিনিং করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনগণের অংশগ্রহণে “পার্টিসিপেটরি মনিটরিং” কার্যক্রমে ১৫ হাজার ৫৬৩টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে এবং এর মধ্যে ৯৬.৯৬ শতাংশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান করা হয়েছে।
logo-1-1740906910.png)