Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্যের নিউজ আপডেট ৩ মে ২০২৬

সৌদিতে হজের আগে অভিযান, বাড়ছে ফেরত পাঠানো প্রবাসী

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১৬:০৯

সৌদিতে হজের আগে অভিযান, বাড়ছে ফেরত পাঠানো প্রবাসী

সৌদি আরব

সৌদিতে হজের আগে অভিযান, বাড়ছে ফেরত পাঠানো প্রবাসী

সৌদি আরবে হজ শুরুর আগে অবৈধ বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে ফের বড় ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে, দেশটি থেকে ফেরত পাঠানো হলো ১৪ হাজার ৮৫৫ জন অভিবাসীকে। প্রায় ১৮ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে তাদের দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য, আর কয়েক হাজারকে টিকিট যাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলা অভিযানে ১৪ হাজার ৮৫৫ জন অবৈধ বাসিন্দাকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সারাদেশে যৌথ তল্লাশি চালিয়ে হাজার হাজার আইন লঙ্ঘনকারীকে আটক করা হয়। এর মধ্যে রেসিডেন্সি আইন লঙ্ঘনকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা এবং শ্রম আইনেরও বহু লঙ্ঘনের ঘটনা সামনে আসে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকে এখনো নিজ দেশে ফেরার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এসব অভিযানের লক্ষ্য দেশব্যাপী অবৈধ বসবাস, অননুমোদিত কাজ এবং সীমান্ত লঙ্ঘনের মতো অপরাধ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা।

 

বাহরাইন

বাহরাইনে বাসিন্দাদের সঞ্চয়ের বিষয়ে সতর্কতা

বাহরাইনে "আল আমানকর্মসূচির আওতায় সাধারণ মানুষকে তাদের সঞ্চয় আরো নিরাপদ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা কর্নেল ওসামা বাহার সতর্ক করে পরামর্শ দিয়েছেন, সঞ্চয়ের অর্থ যেন আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখা হয় এবং সেটিকে সরাসরি ইনস্ট্যান্ট মানি ট্রান্সফার অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত না করা হয়। তিনি আরো বলেনএই ধরনের অ্যাপের সঙ্গে সঞ্চয় যুক্ত থাকলে প্রতারণা, ভুলবশত টাকা পাঠানো কিংবা অনুমতি ছাড়া অ্যাক্সেসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তিনি জানানঅনেকেই সুবিধার জন্য সব ধরনের লেনদেন একসঙ্গে যুক্ত করে রাখেনকিন্তু এতে ব্যাংকের ব্যক্তিগত তথ্য আর্থিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে পরিবারের সদস্য, বয়স্ক মানুষ কিংবা প্রযুক্তি ব্যবহারে কম অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা সহজেই প্রতারণার শিকার হতে পারেন। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন খরচের অ্যাকাউন্ট আলাদা রাখা এবং সঞ্চয়ের অ্যাকাউন্ট আলাদা রাখাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।


কুয়েত

কুয়েতে ভিসা ট্রান্সফার শুরু, মিলছে ব্যাপক সাড়া

কুয়েতে ভিসা ট্রান্সফার কার্যক্রম চালুর প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। দেশটির পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার জানিয়েছে, একদিনেই ৬৭৬ জন প্রবাসী শ্রমিক ভিসা ট্রান্সফারের জন্য আবেদন করেছেন।

এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রবাসী কর্মীরা এখন নির্দিষ্ট কিছু খাতে সহজেই চাকরি পরিবর্তন করতে পারছেন। বিশেষ করে ছোট মাঝারি শিল্প, কৃষি, পশুপালন এবং মৎস্য খাতএই সেক্টরগুলোতে শ্রমিকের ঘাটতি পূরণ করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বিশেষ সিদ্ধান্তের আওতায় কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে প্রবাসী কর্মীদের আগের নিয়োগকর্তার অনুমতি ছাড়াই ভিসা ট্রান্সফারের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা আগে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল। এই নীতিমালা সাময়িকভাবে চালু করা হয়েছে, যা মে থেকে শুরু হয়ে জুনের শেষ দিন পর্যন্ত চলবে। আরব টাইমস অনলাইনের খবরে বলা হয়েছেএর মাধ্যমে সরকার শ্রমবাজারে ভারসাম্য আনা এবং যেসব খাতে শ্রমিক সংকট রয়েছে, সেগুলোকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য বড় একটি সুযোগ তৈরি করেছে। কারণ এতে তারা আরো ভালো চাকরি খুঁজে নেওয়ার স্বাধীনতা পাচ্ছেন। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতেও দ্রুত জনবল সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।

 

সংযুক্ত আরব আমিরাত

আমিরাতে আইন লঙ্ঘনের কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে বেশ উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়েছে। দেশজুড়ে গত এক বছরে মোট  হাজার ১৪টি সড়ক দুর্ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছেযেখানে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার শিকার সাধারণ হালকা যানবাহন, যার মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এই ক্যাটাগরিতেই ঘটেছে  হাজার ৮৩৪টি দুর্ঘটনা, যা অন্য সব যানবাহনের তুলনায় অনেক বেশি। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মোটরসাইকেল, যেখানে  হাজার ২২৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর ভারী ট্রাকের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ৩২৫। এছাড়া সাইকেল, বাস, -স্কুটারসহ অন্যান্য যানবাহনও দুর্ঘটনার তালিকায় রয়েছে। তবে সংখ্যায় তুলনামূলক কম। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোএই দুর্ঘটনাগুলোর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে হঠাৎ লেন পরিবর্তন করাকে। তথ্য বলছে, শুধু হঠাৎ লেন পরিবর্তনের কারণে  হাজার ৭৪টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এর পরেই রয়েছে ড্রাইভারের অমনোযোগ, যা ৯৪৮টি ঘটনার জন্য দায়ী। এছাড়া নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রাখা এবং অসতর্ক ড্রাইভিংও এই দুর্ঘটনার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে।

 

ওমান

ওমানে শুরু হয়েছে ট্রাফিক সপ্তাহ, ট্রাফিক আইন মানায় জোর

ওমানে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী গালফ ট্রাফিক সপ্তাহ ক্যাম্পেইন। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলোপথচারী ড্রাইভারদের ট্রাফিক আইনের বিষয়ে সচেতন করা। পথচারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সড়কে গাড়িচাপা পড়ার ঘটনা কমানো। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশেষ করে স্কুল, বাজার এবং ব্যস্ত সড়ক এলাকায় পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির প্রধান ফোকাস। ওমানের নাগরিক বাসিন্দাদের শেখানো হচ্ছে, কীভাবে সঠিকভাবে জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হতে হয়। ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হয়।

এই সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজন করা হচ্ছে, যেমন-ট্রাফিক প্রদর্শনী, স্কুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সচেতনতা ক্লাস এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিরাপদ ড্রাইভিং নিয়ে প্রচারণা। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনার বড় একটি কারণ হলো অসচেতনতা এবং নিয়ম না মানা। তাই শুধু আইন প্রয়োগ নয়মানুষের আচরণ পরিবর্তন করাও জরুরি। কারণ একটি ছোট ভুলযেমন হঠাৎ রাস্তা পার হওয়া বা দ্রুত গতি বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

Logo