Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

কীভাবে বৈধভাবে যাওয়া যাবে সৌদি আরব?

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:২২

কীভাবে বৈধভাবে যাওয়া যাবে সৌদি আরব?

সৌদি আরবে কাজ করতে চাইলে বৈধ ভিসা ও কোম্পানি স্পন্সরশিপ ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। বর্তমানে ‘ফ্রি ভিসা’ নামে প্রচলিত ধারণাটি আইনত অগ্রহণযোগ্য। সৌদি সরকার ২০২৬ সালের আপডেট অনুযায়ী স্পষ্ট করেছে, বিদেশি কর্মীদের জন্য কেবল কোম্পানি ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিটই বৈধ।

কাজের জন্য প্রথম শর্ত হলো একটি সৌদি কোম্পানির কাছ থেকে নিয়োগপত্র পাওয়া। সেই কোম্পানিই হবে কর্মীর স্পন্সর বা কফিল। কোম্পানি সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভিসা অথোরাইজেশন নম্বর ইস্যু করে। বর্তমানে ছরধি পোর্টালের মাধ্যমে সব চুক্তি ডিজিটালভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই চুক্তি বৈধ ও ডিজিটাল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

সৌদি সরকার কিছু নির্দিষ্ট পেশায় দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে। টেকনিশিয়ান, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার ও মেকানিকদের ক্ষেত্রে কাজ শুরু করার আগে প্রফেশনাল ভেরিফিকেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। অন্যদিকে ড্রাইভার, লেবার বা ক্লিনার ভিসার চাহিদা থাকলেও কোম্পানির মান ও বেতন যাচাই করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ভিসা প্রক্রিয়ার অন্যতম ধাপ হলো স্বাস্থ্য পরীক্ষা। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হয়। হেপাটাইটিস, যক্ষ্মা বা এইচআইভির মতো সংক্রামক রোগ ধরা পড়লে ভিসা বাতিল হয়। ২০২৬ সালে এই রিপোর্টের স্বচ্ছতা ও মেয়াদকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রয়োজনীয় নথির মধ্যে রয়েছে কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদসহ পাসপোর্ট, চার কপি ছবি, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভিসা কপি, ডিজিটাল চুক্তিপত্র, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং শিক্ষাগত বা কারিগরি সনদ। সব নথি প্রস্তুত হলে ঢাকার অনুমোদিত ভিসা সেন্টারে গিয়ে বায়োমেট্রিক দিতে হয়। এরপর দূতাবাসে পাসপোর্ট পাঠানো হয় ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

খরচের বিষয়েও সরকার নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিয়েছে। কাজের ভিসার খরচ ১.৫ থেকে ৩ লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা। যদিও পেশা ও কোম্পানির ওপর নির্ভর করে তা পরিবর্তিত হতে পারে। সৌদি আরবে পৌঁছানোর ৯০ দিনের মধ্যে কোম্পানিকে কর্মীর জন্য ইকামা বা রেসিডেন্সি পারমিট তৈরি করতে হয়। ইকামার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তা নবায়ন করাও কোম্পানির দায়িত্ব।

Logo