কুয়েতে এক সপ্তাহ স্থগিত থাকার পর আবার শুরু হয়েছে তারাবি ও কিয়ামুল লাইলের নামাজ। ৭ মার্চ দেশটির ওয়াকফ ও ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, সব মসজিদে আবারো তারাবি ও কিয়াম নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। তবে রমজান সেন্টার ও অতিথি কারীদের আমন্ত্রণ আপাতত স্থগিত থাকবে।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তারাবি নামাজের সময়সীমা হবে ২০ মিনিট এবং কিয়াম নামাজের সময়সীমা ৩০ মিনিট। সাধারণত রমজান সেন্টারগুলোতে বিশেষ ধর্মীয় কার্যক্রম আয়োজন করা হয় এবং দেশি-বিদেশি খ্যাতিমান কারীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে চলমান পরিস্থিতির কারণে এবার এ আয়োজন বন্ধ রাখা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কুয়েত সরকার মসজিদে তারাবি ও কিয়াম নামাজ স্থগিত করে। তখন শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ইরানি হামলার কারণে কুয়েতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে।
সংঘাতের মধ্যে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান তেহরানে তেল ডিপো ও রিফাইনারি স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ শত শত মানুষ নিহত হন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েল, উপসাগরীয় দেশ, জর্ডান ও ইরাকের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এসব হামলায় বেসামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে।
শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ঘোষণা দেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ইরানের ওপর হামলা না হলে ইরানও তাদের ওপর হামলা চালাবে না। এ বক্তব্যের পর কুয়েত সরকার আবারো তারাবি ও কিয়াম নামাজ চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।
logo-1-1740906910.png)