ইরানি হামলার পর বাহরাইনে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে এখন ২ হাজার ৬০০ জনকে রাখা হয়েছে। মোট ১৩টি কেন্দ্র সক্রিয় করা হলেও এর মধ্যে ১০টি পুরোপুরি চালু রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, গত শনিবার থেকে তারা ৯০টি ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট পেয়েছে, যার মধ্যে ভবনের ক্ষতি ও ধ্বংসাবশেষ পড়ার ঘটনা রয়েছে। কোস্টগার্ডও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। তারা দিন-রাত টহল দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ, মাছ ধরার নৌকা ও সামুদ্রিক অবকাঠামো রক্ষা করছে। নাবিকদের বাহরাইনের উত্তরাঞ্চলীয় জলসীমায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে রিমোট লার্নিং ও সরকারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সড়ক চলাচল ও কিং ফাহাদ কজওয়ে স্বাভাবিক থাকলেও আকাশপথে বিধিনিষেধ থাকায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটছে।
এই পরিস্থিতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও উদ্বেগজনক। দূতাবাস ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে বিশেষ ফ্লাইট চালুর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
logo-1-1740906910.png)