ইরানের পাল্টা হামলায় প্রকম্পিত বাহরাইন, আবুধাবি ও কুয়েত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:৫৪
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক সামরিক হামলা চালায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ ঘোষণা দেন, এটি ছিল একটি প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক। হামলার পর ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয় এবং নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একে “অস্তিত্বমূলক হুমকি দূর করার অভিযান” বলে অভিহিত করেন।
এই হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে। বাহরাইন জানিয়েছে, তাদের রাজধানীতে জরুরি সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিট সদর দপ্তর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সঙ্গে আমিরাত আংশিকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করেছে এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে। কুয়েতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে, যেখানে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল। কাতার জানিয়েছে, তারা কয়েকটি হামলা প্রতিহত করেছে। জর্ডানে সাইরেন বাজানো হয় এবং বিমানবাহিনী আকাশে টহল দেয়। বাহরাইন ও আমিরাতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস আমিরাতে অবস্থানরত নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ের নির্দেশ দিয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস তেহরানে তাদের নাগরিকদের ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিভিন্ন এয়ারলাইন যেমন এয়ার অ্যারাবিয়া, ফ্লাইদুবাই ও ইন্ডিগো ইরান, ইরাক ও ইসরায়েলের ফ্লাইট বাতিল করেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা করছে। তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, তাই নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
logo-1-1740906910.png)