Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

ইরানে একযোগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা; জরুরি অবস্থা জারি

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:৪২

ইরানে একযোগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা; জরুরি অবস্থা জারি

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক সামরিক হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ ঘোষণা করেছেন, এটি ছিল একটি প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক। হামলার পর ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানের “অস্তিত্বমূলক হুমকি” দূর করা। তিনি একে “দ্য রোর অব দ্য লায়ন” নামে অভিহিত করেছেন এবং নাগরিকদের ধৈর্য ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

হামলার পর ইরান থেকে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজে এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রতিরোধে নামে। তেহরান ও ইলাম শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নিরাপদ আছেন।

এতে আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বাহরাইন জানিয়েছে, তাদের রাজধানীতে বিস্ফোরণ হয়েছে এবং মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিট সদর দপ্তর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। জর্ডানে সাইরেন বাজে এবং বিমানবাহিনী আকাশে টহল দেয়। কাতার একাধিক হামলা প্রতিহত করেছে বলে দাবি করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত আংশিকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করেছে এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস আমিরাতে অবস্থানরত নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ের নির্দেশ দিয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস তেহরানে তাদের নাগরিকদের ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এদিকে এয়ার অ্যারাবিয়া, ফ্লাইদুবাই ও ইন্ডিগোসহ বিভিন্ন এয়ারলাইন ইরান, ইরাক ও ইসরায়েলের ফ্লাইট বাতিল করেছে।

পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা ইরানের সামরিক স্থাপনা ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া শুরু করেছে। ফলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি হয়েছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

Logo